মেহের নিউজ এজেন্সি জানায়, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যুদ্ধবিমান খার্গ দ্বীপে কয়েক দফা বিমান হামলা চালায়। এতে একাধিক বিস্ফোরণ ঘটে। তবে এ বিষয়ে হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির বিস্তারিত এখনো জানা যায়নি।
গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছিলেন, খার্গ দ্বীপের সব সামরিক লক্ষ্যবস্তু ‘সম্পূর্ণ ধ্বংস’ করা হয়েছে। ট্রাম্প ইরানের তেল নিয়ন্ত্রণের আগ্রহও প্রকাশ করেন। তিনি ইঙ্গিত দেন, ইরানের প্রধান তেল রপ্তানি টার্মিনাল খার্গ দ্বীপ দখল করার বিষয়টি বিবেচনায় থাকা বিকল্পগুলোর একটি।
আরও পড়ুন২৮ ফেব্রুয়ারি ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে অভিযান শুরুর পর থেকে আঞ্চলিক উত্তেজনা অব্যাহত রয়েছে। এতে এখন পর্যন্ত ১ হাজার ৩৪০ জনের বেশি নিহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে তৎকালীন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিও রয়েছেন। ইরানি কর্তৃপক্ষ গত কয়েক দিনে এই হতাহতের সংখ্যা হালনাগাদ করেনি।
জবাবে ইরান ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে ইসরাইল, জর্ডান, ইরাক এবং যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক স্থাপনা থাকা উপসাগরীয় দেশগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করেছে। এতে হতাহত ও অবকাঠামোর ক্ষতি হয়েছে। একই সঙ্গে বৈশ্বিক বাজার ও বিমান চলাচলও বিঘ্নিত হয়েছে।

নিউজ ডেস্ক


_medium_1775570437.jpg)




