ভিডিও মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬, ১৭ চৈত্র ১৪৩২

প্রকাশ : ৩১ মার্চ, ২০২৬, ০৬:৩৯ বিকাল

সংসদে মন্ত্রী

শাহজালাল বিমানবন্দর জিয়ার নামে পুনর্বহালের সিদ্ধান্ত হয়নি

সংগৃহিত,শাহজালাল বিমানবন্দর জিয়ার নামে পুনর্বহালের সিদ্ধান্ত হয়নি

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা বলেছেন, ঢাকায় অবস্থিত দেশের প্রধান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নাম পরিবর্তন করে অতীতের মতো জিয়া আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর করার কোনো সিদ্ধান্ত এখনো নেওয়া হয়নি। ভবিষ্যতে আলাপ-আলোচনা করে বিমানবন্দরের নাম পরিবর্তনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে বিএনপি দলীয় সংসদ সদস্য সরওয়ার জামাল নিজামের সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন মন্ত্রী।

এর আগে সরওয়ার জামাল নিজাম তার প্রশ্নে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরকে আগের নামে জিয়া আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে রূপান্তরের পরিকল্পনা সরকারের আছে কি না তা জানতে চান। ১৯৮০ সালে চালু হওয়া দেশের প্রধান এই বিমানবন্দরটির নাম ১৯৮৩ সালে ‘জিয়া আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর’ হিসেবে নামকরণ করা হয়। আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর ২০১০ সালে এর নাম পরিবর্তন করে হযরত শাহজালাল (রহ.) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর রাখে। বর্তমানে এই নাম বহাল রয়েছে।

জামায়াতের সংসদ সদস্য জি এম নজরুল ইসলাম তার সম্পূরক প্রশ্নে জানান তিনি নবম সেক্টেরে মুক্তিযুদ্ধ করেছিলেন। কিন্তু ২০০৮ সালের আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পরে মুক্তিযোদ্ধার তালিকা থেকে তার নাম বাদ দেয়। এসময় নজরুল ইসলাম মন্ত্রীর কাছে প্রশ্ন করেন- তিনিসহ যারা মুক্তিযোদ্ধার তালিকা থেকে বাদ পড়েছেন, তাদের মুক্তিযোদ্ধার তালিকাভুক্ত করা হবে কি না?

জবাবে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান বলেন, সংসদ সদস্যদের যে কাগজপত্র আছে, সেগুলো মন্ত্রণালয়ে জমা দিলে, মন্ত্রণালয় এ নিয়ে কাজ করবে এবং প্রয়োজনীয় সব কাজ পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে ব্যবস্থা নেবে। আমরা জানি অতীতে যারাই আমরা বিরোধী দল করতাম, তাদেরই মুক্তিযুদ্ধের সনদ নিয়ে হয়রানি করা হতো, তাদের সুনাম নষ্ট করা হতো। এ বিষয়ে মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয় কাজ শুরু করেছে।  

আরও পড়ুন

বিএনপির সংসদ সদস্য জয়নুল আবদিন ফারুকের সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী বলেন, ফ্যাসিবাদ আমলে অনেক মুক্তিযোদ্ধার ভাতা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। তাদের সনদ স্থগিত করা হয়েছিল। বিভিন্নভাবে প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের হয়রানির শিকার হতে হয়েছিল। এসময় অনেক অমুক্তিযোদ্ধাও মুক্তিযোদ্ধার তালিকায় সন্নিবেশ হয়ে ভাতাসহ অন্যান্য সুবিধা অবৈধভাবে গ্রহণ করেছে। এটা নিয়ে আমরা কাজ করছি। এ কাজগুলো অতিদ্রুত করে জাতির সামনে উপস্থাপন করবো।

নোয়াখালী-৬ আসনের আবদুল হান্নান মাসউদের প্রশ্নের জবাবে আহমেদ আযম খান বলেন, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে জুলাই গণঅভ্যুত্থান অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। জুলাই অভ্যুত্থান নাম যোগ করে এই মন্ত্রণালয়ের নাম বড় করার পরিকল্পনা আপাতত নেই। তিনি আরও জানান, জুলাই যোদ্ধাদের সমস্যা সমাধানে মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয় যথাযথ কাজ করবে।

 

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

শাহজালাল বিমানবন্দর জিয়ার নামে পুনর্বহালের সিদ্ধান্ত হয়নি

টলিপাড়ায় ফের দুঃসংবাদ! অকালে চলে গেলেন আরও এক অভিনেতা

বিগ ব্যাশে বর্ষসেরার মনোনয়ন পেয়েছেন রিশাদ

সংসদে হান্নান মাসউদকে সতর্ক করলেন স্পিকার

মেহেরপুরের গাংনীতে এসবি পরিবহনের চালককে কুপিয়ে গুরুতর জখম

ভারত সফরে যাচ্ছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী