ভিডিও রবিবার, ০১ মার্চ ২০২৬, ১৬ ফাল্গুন ১৪৩২

প্রকাশ : ০১ মার্চ, ২০২৬, ০২:০৫ দুপুর

পাবনায় দাদি-নাতনি হত্যার ঘটনায় মামলা দায়ের, তদন্তে ডিবি

পাবনায় দাদি-নাতনি হত্যার ঘটনায় মামলা দায়ের, তদন্তে ডিবি, ছবি: দৈনিক করতোয়া ।

পাবনা ও ঈশ্বরদী প্রতিনিধি : পাবনার ঈশ্বরদীতে চাঞ্চল্যকর দাদি-নাতনি হত্যার ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। এ ঘটনায় গতকাল শনিবার সন্দেহভাজন দুইজনকে আটক করেছে পুলিশ।

ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মমিনুজ্জামান জানান, নিহত বৃদ্ধা দাদী সুফিয়া বেগমের মেয়ে মর্জিনা খাতুন বাদি হয়ে শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে ঈশ্বরদী থানায় মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করা হয়েছে। কে বা কারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে। ওসি আরো জানান, যেহেতু এই ঘটনাটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও স্পর্শকাতর, সেহেতু মামলার তদন্তভার দেয়া হয়েছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশকে।

এদিকে, এ ঘটনায় সন্দেহভাজন হিসেবে গতকাল রাব্বি মন্ডল ও শরিফুল ইসলাম নামে দুইজনকে আটক করেছে পুলিশ। তারা হলো-ঈশ্বরদী উপজেলার ভবানীপুর উত্তরপাড়া গ্রামের নুরুল মন্ডলের ছেলে রাব্বি মন্ডল এবং মফেজ্জল হোসেনের ছেলে শরিফুল ইসলাম।ওসি জানান, তাদের থানা হেফাজতে রেখে বিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। প্রাথমিক তদন্তে ও জিজ্ঞাসাবাদে জোড়া হত্যার ঘটনার সাথে তাদের সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে। খুব শিগগির মামলার রহস্য উদঘাটন হবে।

আরও পড়ুন

শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) মধ্যরাতের পর ঈশ্বরদী উপজেলার ভবানীপুর উত্তরপাড়া গ্রামে কান্নাকাটির শব্দ শুনে স্থানীয়রা বাইরে বের হলেও কিছুক্ষণ পর শব্দ থেমে গেলে সবাই নিজ নিজ বাড়িতে ফিরে যান। শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে বাড়ির উঠানে দাদি সুফিয়া বেগমের রক্তাক্ত মরদেহ দেখতে পান স্বজনরা। এসময় নাতনি জামিলাকে খুঁজে না পেয়ে চারদিকে অনুসন্ধান শুরু হয়। পরে বাড়ি থেকে কিছু দূরের সরিষা ক্ষেতে বিবস্ত্র অবস্থায় তার মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন এলাকাবাসী। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি ও মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।

নিহত সুফিয়া বেগম ওই গ্রামের মৃত নাজিম উদ্দিন খাঁর স্ত্রী। আর জামিলা আক্তার উপজেলার কালিকাপুর দাখিল মাদ্রাসা দশম শ্রেণির ছাত্রী ও হাফেজা ছিল। তার বাবার নাম জয়নাল উদ্দিন খাঁ। দাদি ও নাতনি একই বাড়িতে তারা দু’জনই থাকতেন। কোনো পুরুষ মানুষ বাড়িতে ছিল না। খবর পেয়ে রাজশাহী রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি খন্দকার মো. শামীম হোসেন ও পাবনার পুলিশ সুপার আনোয়ার জাহিদ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। সেসময় তারা খুব দ্রুত সময়ে জড়িতদের গ্রেপ্তার ও হত্যার রহস্য উদঘাটনের আশ্বাস দেন। তবে এখন খোলেনি দাদি-নাতনি হত্যার রহস্যের জট।

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

পাবনায় দাদি-নাতনি হত্যার ঘটনায় মামলা দায়ের, তদন্তে ডিবি

ভূমিকম্প পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ঢাকায় ১ লাখ সেচ্ছাসেবী প্রস্তুতের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

ইরানের পাল্টা হামলা ধারণার চেয়ে কম : ট্রাম্প

ইয়ামালের প্রথম হ্যাটট্রিকে উড়ে গেল প্রতিপক্ষ

সৌদি আরব-ইসরায়েলের চাপেই ইরানে হামলা যুক্তরাষ্ট্রের

নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে অর্থমন্ত্রী