টিকার সহায়তায় ঢাবি মেডিকেল সেন্টারের আধুনিকায়ন উদ্বোধন, উপস্থিত বিলাল এরদোয়ান–মেসুত ওজিল
ঢাবি প্রতিনিধি : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহিদ বুদ্ধিজীবী ডা. মোহাম্মদ মোর্তজা মেডিকেল সেন্টারের সংস্কার ও আধুনিকায়ন কাজের উদ্বোধন করা হয়েছে।
বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি ) বিকেল ৩টায় মেডিকেল সেন্টার প্রাঙ্গণে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে সংস্কারকৃত ভবনের উদ্বোধন ও আধুনিক চিকিৎসা সরঞ্জাম উন্মোচন করা হয়। তুর্কি উন্নয়ন সংস্থা Turkish Cooperation and Coordination Agency (টিকা)-এর সহযোগিতায় এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান। প্রধান অতিথি ছিলেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান-এর পুত্র নেসমেত্তিন বিলাল এরদোয়ান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন টিকার প্রেসিডেন্ট আবদুল্লাহ এরেন, বাংলাদেশে নিযুক্ত তুরস্কের রাষ্ট্রদূত রামিস সেন, ফুটবল তারকা মেসুত ওজিল, প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. সায়মা হক বিদিশা, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. এম. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী এবং ডাকসুর সহ-সভাপতি সাদিক কায়েমসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় চেয়ারম্যান, শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তারা।
সভাপতির বক্তব্যে উপাচার্য বলেন, তুরস্ক ও বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের উজ্জ্বল নিদর্শন হচ্ছে এই মেডিকেল সেন্টারের আধুনিকায়ন। তিনি জানান, টিকার সহায়তায় ভবন সংস্কারের পাশাপাশি একটি অ্যাটমিক ফোর্স মাইক্রোস্কোপ, অত্যাধুনিক এক্স-রে মেশিন, উন্নত চিকিৎসা সরঞ্জাম ও আইসিইউ সুবিধাসম্পন্ন অ্যাম্বুলেন্স প্রদান করা হয়েছে, যা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের চিকিৎসাসেবায় নতুন মাত্রা যোগ করবে।
আরও পড়ুনস্বাগত বক্তব্যে প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. সায়মা হক বিদিশা বলেন, এই মেডিকেল সেন্টারটি প্রায় ৪০ হাজার শিক্ষার্থী, ২ হাজার শিক্ষক এবং ৫ হাজার কর্মকর্তা-কর্মচারী ও তাদের পরিবারের স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করে। সীমিত বাজেট ও অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতার কারণে কাঙ্ক্ষিত সেবা দেওয়া কঠিন হলেও টিকার সহযোগিতায় এই আধুনিকায়ন কার্যক্রম স্বাস্থ্যসেবা উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে নেসমেত্তিন বিলাল এরদোয়ান বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও নেতৃত্ব তৈরির কেন্দ্র। তুরস্ক ও বাংলাদেশের বন্ধুত্বের প্রতীক হিসেবে এই প্রকল্প ভবিষ্যতে শিক্ষা, গবেষণা ও মানবসম্পদ উন্নয়নে যৌথ উদ্যোগ বাড়াতে সহায়ক হবে।
মন্তব্য করুন








