উপদেষ্টা বলেন, ‘বর্তমান সংবিধান অনুসারে নতুন নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ পড়ানোর কথা স্পিকারের, তিনি না থাকলে ডেপুটি স্পিকার এটা করবেন। ওনারা না থাকলে অন্য বিধানও আছে। এখন আমাদের এখানে ওনাদের মধ্যে একজন নিখোঁজ, আরেকজন জেলে। তাদের বিরুদ্ধে গুরুতর কিছু মামলা আছে। তারা পদত্যাগও করেছেন, বিশেষ করে স্পিকার। ফলে এ অবস্থায় ওনাদের দ্বারা শপথ গ্রহণ করানোর কোনো সুযোগ আছে বলে আমি মনে করি না।’
আরও পড়ুনতিনি আরও বলেন, ‘আমাদের আইনে আছে স্পিকার, ডেপুটি স্পিকার শপথ গ্রহণ করাতে না পারলে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক মনোনীত, অর্থাৎ প্রধান উপদেষ্টার পরামর্শে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক মনোনীত ব্যক্তি শপথ গ্রহণ করাবেন। তিন দিনের মধ্যে এটা না হলে প্রধান নির্বাচন কমিশনারও শপথ গ্রহণ করাতে পারবেন। এটা সরকারের নীতিগত সিদ্ধান্ত, আমি চূড়ান্ত কিছু বলতে পারব না। আমাদের কাছে এ দুই উপায় আছে।’
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘আমরা তিন দিন অপেক্ষা করতে চাচ্ছি না। আমরা নির্বাচনের পর যত দ্রুত সম্ভব নতুন এমপিদের আমরা শপথ গ্রহণ করাতে চাই।’

নিউজ ডেস্ক








