সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ ও দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে দাঁড়িপাল্লার বিজয় নিশ্চিত করতে হবে- মাওলানা রফিকুল ইসলাম খাঁন
শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি : বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খাঁন বলেছেন, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ ও দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে দাঁড়িপাল্লা প্রতীককে বিজয়ী করতে হবে।
স্বাধীনতার পর থেকে ৩টি দল দেশ শাসন করেছে দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন হয়নি, দেশ দুর্নীতিতে বার বার চ্যাম্পিয়ান হয়েছে। তাই আগামী নির্বাচনে জামায়াতের পক্ষে সারাদেশে গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে। এ জোয়ার থামবে না দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিয়ে জনগণ জামায়াতকে ক্ষমতার মসনদে বসাবে।
গতকাল শনিবার বিকেলে শাহজাদপুর উপজেলার নুকালী হাইস্কুল মাঠে পোতাজিয়া ইউনিয়ন জামায়াতের যুব বিভাগ আয়োজিত বিশাল নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত কথা বলেন। শাহজাদপুর উপজেলা জামায়াতে ইসলামী আমীর ও সংসদ সদস্য প্রার্থী অধ্যাপক মো. মিজানুর রহমানের সভাপতিত্বে উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারী মাস্টার আব্দুল মালেক ও সহকারী সেক্রেটারী নজরুল ইসলাম এবং ডা. মোফাজ্জাল হোসেনের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি ছিলেন সিরাজগঞ্জ জেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা শাহিনুর আলম, সম্মানিত অতিথি ছিলেন মরহুম আমীরে জামায়াত মাওলানা মতিউর রহমান নিজামীর ছেলে।
পাবনা-১ আসনে সংসদ সদস্য প্রার্থী ব্যারিস্টার নাজিবুর রহমান মোমেন, বেলকুচি উপজেলা জামায়াতের আমীর ও সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আরিকুল ইসলাম, উল্লাপাড়া উপজেলা জামায়াতের আমীর ও উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক মো. শাহজাহান আলী প্রমুখ।
আরও পড়ুনমাওলানা রফিকুল ইসলাম খাঁন আরও বলেন, একটি দল শেখ হাসিনার পতনের নিজেদের ক্ষমতাসীন মনে করে চাঁদাবাজি, দখলবাজি করে সাধারণ মানুষকে অতিষ্ঠ করে তুলেছে, তাদের ভাব দেখে মনে হয় তারা ছাড়া আর দেশে অন্য কোন দল নেই। তবে ঢাকসু, জাকসু, রাকসু, চাকসু নির্বাচনের পর তাদের ভাব একটু কমেছে।
আগামী নির্বাচন তারা আওয়ামী স্টাইলে করার পায়তারা করছে কিন্তু এ দেশের মানুষ তাদের সে স্বপ্ন পূরণ হতে দিবে না। সব দল দেখা শেষ এবার দেখব জামায়াত ইসলামীর বাংলাদেশ।
তাই সৎ যোগ্য নেতৃত্ব কায়েমের জন্য বিপুল ভোটে দাঁড়িপাল্লা প্রতীককে বিজয়ী করার আহ্বান জানান। এর আগে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে খন্ড খন্ড মিছিল নিয়ে নেতাকর্মীরা জনসভায় যোগ দেন। নির্ধারিত সময়ের আগেই জনসভাস্থল কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায়।
মন্তব্য করুন

নিউজ ডেস্ক
_medium_1774075259.jpg)



_medium_1774065536.jpg)


