ভিডিও শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬, ৬ চৈত্র ১৪৩২

প্রকাশ : ০৩ মার্চ, ২০২৬, ০২:১২ রাত

৩৫ হাজারের ইরানি ড্রোন ঠেকাতে যুক্তরাষ্ট্রের খরচ ৪০ লাখ ডলার

ছবি: সংগৃহীত, ৩৫ হাজারের ইরানি ড্রোন ঠেকাতে যুক্তরাষ্ট্রের খরচ ৪০ লাখ ডলার

আন্তর্জাতিক ডেস্কযুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যৌথ হামলার পর পাল্টা আক্রমণ শুরু করেছে ইরান। চলমান সংঘাতে নতুন এক সামরিক বাস্তবতা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে- সস্তা ড্রোন বনাম ব্যয়বহুল প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্রের অসম লড়াই। কারণ তেহরানের একেকটি সস্তা ড্রোন ঠেকাতে পশ্চিমাদের যে পরিমাণ অর্থ ব্যয় হচ্ছে, তাতে কয়েক সপ্তাহের মধ্যে তাদের প্রতিরক্ষাব্যবস্থার (ক্ষেপণাস্ত্র) মজুত ফুরিয়ে যাওয়ার শঙ্কা দেখা দিয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, এই ব্যয়ের বৈষম্যই ইরানের সবচেয়ে বড় কৌশলগত সুবিধা হয়ে উঠেছে।
 
প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের একেকটি ড্রোন তৈরিতে খরচ হয় মাত্র ৩৫ হাজার ডলার। বিপরীতে এটি ধ্বংস করতে একেকটি ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্রের পেছনে ব্যয় হচ্ছে ৫ থেকে ৪০ লাখ ডলার পর্যন্ত। এটিই এখন পশ্চিমা সামরিক পরিকল্পনাকারীদের প্রধান দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

বর্তমানে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ নামে পরিচিত সংঘাতে ইরান একযোগে একাধিক ফ্রন্টে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালাচ্ছে। লক্ষ্যবস্তু হচ্ছে ইসরায়েল, উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি এবং কয়েকটি আরব দেশ। প্রতিপক্ষকে একই সময়ে বিভিন্ন এলাকায় প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় রাখতে হচ্ছে, ফলে ব্যয় ও চাপ দুটোই বাড়ছে।

বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের কাছে বিভিন্ন ধরনের ড্রোনের মজুত রয়েছে ৮০ হাজার থেকে ১ লাখ পর্যন্ত। মাসিক উৎপাদন সক্ষমতা বিবেচনায় নিলে তারা দীর্ঘ সময় ধরে হামলা অব্যাহত রাখতে পারে। বিপরীতে, যুক্তরাষ্ট্রের উন্নত প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা—যেমন থাড—এর প্রতিটি ইন্টারসেপ্টরের দাম প্রায় দেড় কোটি ডলার এবং পুনরায় উৎপাদনে সময় লাগে কয়েক বছর।

আরও পড়ুন

এ পরিস্থিতিতে কম খরচের বিকল্প খোঁজা হচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে স্বল্পমূল্যের গাইডেড রকেট এবং ইসরায়েলের আইরন বিম লেজার প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, যা প্রতি শটে খুব কম খরচে লক্ষ্যবস্তু ধ্বংস করতে পারে। তবে এসব প্রযুক্তি এখনো সীমিত পরিসরে ব্যবহৃত হচ্ছে।

প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের ভাষ্য, আধুনিক যুদ্ধে শুধু প্রযুক্তিগত উৎকর্ষ নয়, ব্যয়ের হিসাবও বড় ফ্যাক্টর হয়ে উঠছে। ৩৫ হাজার ডলারের ড্রোন ঠেকাতে ৪০ লাখ ডলার ব্যয়ের বাস্তবতা দীর্ঘমেয়াদি সংঘাতে বড় কৌশলগত প্রশ্ন তৈরি করছে। সূত্র: ডেইলি মেইল

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দেশবাসীকে প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা

ময়মনসিংহে চার গাড়ির সংঘর্ষে নারীসহ নিহত ২,আহত ৬

মার্কিন যুদ্ধবিমানকে নিজেদের ভূখণ্ড ব্যবহারের অনুমতি দেয়নি শ্রীলঙ্কা

ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ইরানের আইআরজিসির মুখপাত্র জেনারেল নায়িনি নিহত

আইজিপির নামে ছড়ানো বক্তব্য ভিত্তিহীন : পুলিশ

ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটিতে শীর্ষ পদে  আলোচনায় বগুড়ার দুই ছাত্রনেতা