দিনাজপুরের বিরলে সূর্যমুখী চাষে সফল কৃষক রবিউল ইসলাম
বিরল (দিনাজপুর) প্রতিনিধি : আগ্রহী হচ্ছেন অন্যান্য কৃষকরাও। সূর্যমুখী চাষী রবিউলের বাড়ি দিনাজপুর জেলার বিরল উপজেলার মঙ্গলপুর ইউনিয়নের গরুল গ্রামে। তিনি এবার তার প্রায় এক বিঘা জমিতে এই সূর্যমুখী চাষ করে এলাকায় ব্যাপক সাড়া ফেলেছেন।
এদিকে উপজেলা কৃষি অফিসের একটি সূত্র জানিয়েছে, এ বছর রেকর্ড পরিমাণ আবাদ হয়েছে এই সূর্যমুখীর। কম খরচে বেশি লাভ হবার কারণে হাসি ফুটেছে কৃষকদের মুখেও। সেই সাথে বাড়ছে চাষির সংখ্যাও।
এবার এ উপজেলায় ৪ হেক্টর জমিতে কুটেছে সূর্যমুখী ফুল। নয়ন জুড়ানো এ দৃশ্য দেখে কৃষকের মুখে হাসি ফোটার পাশাপাশি আকর্ষণ করছে প্রকৃতি প্রেমীদের। অনেকে ছবি ও সেলফি তুলছে এসব সূর্যমুখী ক্ষেতে। এব্যাপারে বিরল উপজেলা কৃষি কর্মকতা কৃষিবিদ রুম্মান আক্তার বলেন, সূর্যমুখী চাষে কৃষকদের নিয়মিত পরামর্শ, প্রশিক্ষণ ও সার, বীজ সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে।
আধুনিক পদ্ধতিতে চাষাবাদ করলে সূর্যমুখী হতে পারে একটি অর্থকরী লাভজনক ফসল। সরকারের পক্ষ থেকে ভোজ্য তেলের আমদানি নির্ভরতা কমাতে কৃষকদের প্রনোদনা দিয়ে সূর্যমুখী চাষে উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে।
আরও পড়ুনসূর্যমুখী চাষে সফল কৃষক রবিউল ইসলাম বলেন, আমি গত বছর প্রাথমিকভাবে সূর্যমুখী আবাদ করে সফল হই। তাই এবার প্রায় ১ বিঘা জমিতে এই সূর্যমুখীর আবাদ লাগিয়েছি। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে গতবারের চেয়ে এবার বেশি লাভ হবার সম্ভাবনা রয়েছে।
আমার এই সূর্যমুখী ফুল প্রকৃতি প্রেমীদের দারুণভাবে দৃষ্ট আকর্ষণ করছে। আমি নিজেও বিমোহিত। মন খারাপ থাকলে এই সূর্যমুখী ফুলগুলোর দিকে তাকালেই যেন মন ভালো হয়ে যায়। প্রতিদিন দর্শনার্থী ও প্রকৃতি প্রেমীরা আমার ক্ষেতে এসে ভিড় জমায়।
তিনি বলেন, এই সূর্যমুখী চাষে উপজেলা কৃষি অফিস থেকে সকল প্রকার সহযোগিতা করেন এবং কৃষকদের নিয়মিত পরামর্শ ও প্রশিক্ষণ প্রদান করে থাকেন। আমি মনে করি এই সূর্যমুখী চাষ করে লাভবান হওয়া সম্ভব।
মন্তব্য করুন








