ভিডিও সোমবার, ০৫ জানুয়ারি ২০২৬, ২১ পৌষ ১৪৩২

প্রকাশ : ০৪ জানুয়ারী, ২০২৬, ০৮:৫৭ রাত

কুড়িগ্রাম-৩ আসনে জামায়াত প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল, হট্টগোল

কুড়িগ্রাম-৩ আসনে জামায়াত প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল, হট্টগোল

কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধি: কুড়িগ্রাম-৩ (উলিপুর) আসনে জামায়াতের প্রার্থী মাহাবুবুল আলম সালেহীর মনোয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে দ্বৈত নাগরিকত্ব হওয়ায় তা বাতিল করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক অন্নপূর্ণা দেবনাথ। মনোয়নপত্র বাতিলকে কেন্দ্র করে রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ের ভিতরে ও বাইরে হট্টগোলের সৃষ্টি হয়। পরে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।

জানা যায়, গত শুক্রবার মাহাবুবুল আলম সালেহীর দ্বৈত নাগরিকত্বের কাগজপত্রের জটিলতার কারণে মনোনয়নপত্র স্থগিত ঘোষণা করা হয়। পরে আজ রোববার (৪ জানুয়ারি) বেলা ২টার মধ্যে বৈধ কাগজপত্র নিয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তার অফিসে যোগাযোগ করতে বলা হয়।

সে অনুযায়ী জামায়াত প্রার্থী তার লোকজনসহ কাগজপত্র নিয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তার অফিসে উপস্থিত হন। এসময় জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা অন্নপূর্ণা দেবনাথ তার অফিস কক্ষ থেকে কনফারেন্স কক্ষে বসেন।

সেখানে তিনি জামায়াত প্রার্থী মাহবুবুল আলম সালেহীর মনোনয়নপত্রের সাথে দাখিলকৃত দ্বৈত নাগরিকত্ব ইস্যুটি ত্রুটিপূর্ণ হওয়ায় মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করেন। বিষয়টি নিয়ে জামায়াত প্রার্থী ও দলের নেতৃবৃন্দ কথা বলতে চাইলে তিনি আসন ছেড়ে নিজ অফিস কক্ষে চলে যান এবং আপিলের পরামর্শ দেন। পরে জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কক্ষে প্রার্থীসহ অন্যান্যরা দেখা করে তাদের কাগজপত্র নিয়ে উপস্থাপন করতে চান।

এসময় হলরুমের ভিতর এবং অফিসের বাইরে অপেক্ষায় থাকা জামায়াতের নেতাকর্মী ও সমর্থকরা হট্টগোল করেন। বিষয়টি নিয়ে কুড়িগ্রাম-৩ আসনের জামায়াতপ্রার্থী মাহবুবুল আলম সালেহী জানান, আজ রোববার (৪ জানুয়ারি) কাগজপত্র অধিকতর যাচাই-বাছাই করে সিদ্ধান্ত দেওয়ার কথা ছিল।

আরও পড়ুন

তিনি কারো দ্বারা প্রভাবিত হয়ে মনোনয়ন পত্রটি বাতিল করেছেন। কিন্তু জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ করে ইচ্ছাকৃতভাবে ভুল সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তিনি আমাদের কোন কথা শোনেনি এবং আমার কোন কাগজপত্র দেখতেও চাননি। আমরা উচ্চ আদালতে আপিল করবো।

রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক অন্নপূর্ণা দেবনাথ বলেন, নির্বাচনি নীতিমালা ও আইনের মধ্যে থেকে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই করা হয়েছে। এখানে পক্ষপাতিত্ব কিংবা প্রভাবিত হওয়ার সুযোগ নেই। সংক্ষুব্ধ পক্ষ আপিল করতে পারবেন।

নির্বাচন বিধিমালার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে প্রার্থীরা আগামী ৫ জানুয়ারি থেকে ১১ জানুয়ারি পর্যন্ত আপিলের সুযোগ পাবেন। উচ্চ আদালতের মাধ্যমে কেউ বৈধতা ফিরে পেলে তার নির্বাচনি কার্যক্রমে বাধা দেওয়ার কোনো এখতিয়ার আমাদের নেই।

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

সব ধরনের ক্রিকেটকে বিদায় বললেন শফিউল

মিউচুয়াল ট্রাষ্ট ব্যাংক পিএলসি (এমটিবি)-এর ‘এমটিবি টাউন হল ২০২৬’ অনুষ্ঠিত

গার্সিয়ার হ্যাটট্রিকে প্রতিপক্ষের জালে রিয়ালের গোলউৎসব

১২৩ বারের মতো পেছাল সাগর-রুনি হত্যা মামলার প্রতিবেদন

সাকিবের লড়াইয়ের পরও শিরোপা হাতছাড়া এমআই এমিরেটসের

আইপিএলের সম্প্রচার বন্ধ রাখার নির্দেশ