ভিডিও শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬, ৬ চৈত্র ১৪৩২

প্রকাশ : ২৫ নভেম্বর, ২০২৫, ০৫:৫৪ বিকাল

চলনবিলে অবাধে চলছে শামুক-ঝিনুক নিধন : বিপন্ন জীববৈচিত্র্য

চলনবিলে অবাধে চলছে শামুক-ঝিনুক নিধন : বিপন্ন জীববৈচিত্র্য। ছবি : দৈনিক করতোয়া

চাটমোহর (পাবনা) প্রতিনিধি : উত্তরের মাছ ও শস্য ভান্ডার খ্যাত চলনবিলে বর্ষার পানি কমতে শুরু করেছে। ফলে কৃষি ও পরিবেশবান্ধব শামুক ও ঝিনুকের দেখা মিলছে চারপাশে। তবে দীর্ঘদিন ধরে অবাধে চলছে এই জলজপ্রাণী নিধন।

বিশেষ জাল দিয়ে শামুক-ঝিনুক শিকার করছে এক শ্রেণির মানুষ। যা সংগ্রহ করে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে এলাকার হাট-বাজারের আড়তে। আর সেখান থেকেই ট্রাক বোঝাই করে চলে যাচ্ছে হাঁসের খামার আর মাছ চাষিদের কাছে। অবাধে বিলের শামুক নিধনে জীববৈচিত্র্য ধ্বংস হচ্ছে। ফসলের উৎপাদন ব্যাহত হবার শঙ্কা করছে কৃষি অধিদপ্তর।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বিলের ৮ জেলার সবখানেই চলছে এই ঝিনুক-শামুক নিধন। বর্ষার পানি নেমে যাওয়ার সময়ই বিলপাড়ের বসবাসকারী দরিদ্র মানুষ এই শামুক-ঝিনুক সংগ্রহে ব্যস্ত হয়ে পড়েন। মাছ ধরার পাশাপাশি বাড়তি আয়ের জন্য শামুক-ঝিনুক শিকার করেন তারা।

আরও পড়ুন

চাটমোহরের ছাইকোলা, নিমাইচরা, হান্ডিয়াল তাড়াশের হামকুড়িয়া বাজারে পাইকারদের কাছে ১১৫ থেকে ১২০ টাকায় বিক্রি হয় এসব শামুক। যা আবার পাইকাররা হাঁস ও মাছের খাদ্য হিসেবে ১৩০ থেকে ১৪০ টাকায় খামারিদের কাছে বিক্রি করে দেন।

চলনবিল রক্ষা আন্দোলন কমিটির সদস্য সচিব মিজানুর রহমান বলেন, বিলের প্রতিটি জলজ উদ্ভিদ ও প্রতিটি প্রাণি একে অন্যের পরিপূরক। একটি প্রাণি বা উদ্ভিদের ঘাটতি হলে একাধিক উদ্ভিদ বা প্রাণি ক্ষতিগ্রস্ত হবে, এটাই স্বাভাবিক। বর্তমানে এ বিলে শামুক বাণিজ্যিকীকরণ হচ্ছে। কিছু টাকার জন্য মানুষ প্রকৃতির ভারসাম্য ক্ষতিগ্রস্ত করছে। এতে চলনবিল আরও বিপর্যস্ত হতে পারে।

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ন্যাটো মিত্রদের কাপুরুষ বললেন ট্রাম্প

সদরঘাটে লঞ্চের ধাক্কা, ৪৯ ঘণ্টা পর নিখোঁজ মিরাজের মরদেহ উদ্ধার

বাগেরহাটে আগুনে পুড়ে ছাই ৯ দোকান, অর্ধকোটি টাকার ক্ষতি

পাবনায় রিকশাচালকের জবাই করা মরদেহ উদ্ধার

রাজশাহীতে বাস-মোটরসাইকেল সংঘর্ষ, নিহত ১

ঝালকাঠিতে শ্বশুর-জামাইকে কুপিয়ে জখম