বাজেটে তামাকপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির দাবি তরুণ চিকিৎসকদের

বাজেটে তামাকপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির দাবি তরুণ চিকিৎসকদের

দেশের তরুণ জনগোষ্ঠীকে তামাকের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে সুরক্ষিত রাখতে আসন্ন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে তামাকপণ্যের কার্যকর মূল্যবৃদ্ধির দাবি জানিয়েছেন তরুণ চিকিৎসকরা। তাদের মতে, বাজারে সস্তা সিগারেট সহজলভ্য থাকায় তরুণদের মধ্যে তামাক ব্যবহার দ্রুত বাড়ছে, যা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য বড় হুমকি হয়ে উঠছে।

শনিবার (৯ মে) জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে এক মানববন্ধনে এ দাবি তুলে ধরা হয়।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, দেশের প্রায় ২৫ থেকে ২৮ শতাংশ মানুষ তরুণ জনগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত।

অথচ দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশেই তামাক ব্যবহারের হার সবচেয়ে বেশি। গ্যাটস ২০১৭ জরিপ অনুযায়ী, দেশে তামাক ব্যবহারের হার ৩৫ দশমিক ৩ শতাংশ।

তরুণ চিকিৎসকরা জানান, তামাকজনিত রোগে দেশে প্রতিবছর প্রায় দুই লাখ মানুষের অকাল মৃত্যু ঘটে। এ ছাড়া ২০২৪ সালে তামাক ব্যবহারজনিত স্বাস্থ্য ও পরিবেশগত ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ৮৭ হাজার কোটি টাকা, যা থেকে সরকারের প্রাপ্ত রাজস্ব আয়ের তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি।

বক্তারা বলেন, তামাক ব্যবহার কমানোর সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো তামাকপণ্যের মূল্য বৃদ্ধি। কার্যকর কর আরোপের মাধ্যমে তামাকপণ্যের দাম বাড়ানো হলে প্রায় পাঁচ লাখ প্রাপ্তবয়স্ক ধূমপান থেকে বিরত থাকতে উৎসাহিত হবে। একই সঙ্গে তিন লাখ ৭২ হাজারের বেশি তরুণ ধূমপান শুরু করা থেকে নিরুৎসাহিত হবে।

মানববন্ধনে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে সিগারেটের ওপর কার্যকর মূল্য ও কর বৃদ্ধির প্রস্তাব তুলে ধরা হয়।

পোস্ট লিংক : https://karatoa.com.bd/article/168297