এপস্টেইন নিয়ে এবার মুখ খুললেন জয়া আহসান
বিনোদন ডেস্ক : নিজের আসন্ন চলচ্চিত্র ‘ওসিডি’ নিয়ে কথা বলতে গিয়ে বিশ্বজুড়ে আলোচিত ‘এপস্টিন ফাইল’ প্রসঙ্গে জয়া আহসান ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, এটা তো একটা মানসিক ব্যাধি। একটা বাচ্চা দেখলে সাধারণ মানুষের মনে মায়া জন্মায়, স্নেহ জন্মায়। কিন্তু, কিছু মানুষের শিশুদের দেখলে যৌন আকাঙ্ক্ষা জন্মায়। তারা ওই শরীরের ভিতরটা দেখতে চায়। আসলে এটা তো একটা অসুস্থতা।
‘ওসিডি’ নিয়ে জয়া জানান, অভিনয়ে নিখুঁত হওয়ার এক অদ্ভুত নেশা কাজ করে তার মধ্যে। অভিনেত্রী বলেন, নিখুঁত অভিনয় নিয়ে আমার ‘ওসিডি’ রয়েছে। খালি মনে হয় সব অভিনয় যেন এক রকম হয়ে যাচ্ছে। নিজেকে চ্যালেঞ্জ দিতে গিয়ে মাঝেমধ্যে বিরক্ত হয়ে যাই, মানসিক চাপের চূড়ান্তে পৌঁছে যাই। নিজেকে বলি আমি তো মানুষ, কিন্তু মন মানে না। এই ছবিতে জয়া এমন একটি চরিত্রে অভিনয় করেছেন যে শৈশবে যৌন শোষণের শিকার হয়েছিল। এই সংবেদনশীল বিষয়টি ফুটিয়ে তুলতে গিয়ে জয়াকে পিডোফিলিয়া নিয়ে বিস্তর পড়াশোনা করতে হয়েছে। জয়ার কথায়, যেখানে শিশুরা জড়িয়ে থাকে, সেখানে দায়িত্বটা অনেক বেড়ে যায়। শিশুদের প্রতি যৌন আকর্ষণ কোনো সাধারণ বিষয় নয়, এটি একটি গুরুতর মানসিক ব্যাধি। দুর্ভাগ্যের বিষয় হলো, বাংলা সিনেমাতে এই পিডোফিলিয়া নিয়ে তেমন কোনো কাজ হয়নি।
বিশ্বজুড়ে আলোচিত ‘এপস্টিন ফাইল’ প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে জয়া ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, এটা তো একটা মানসিক ব্যাধি। একটা বাচ্চা দেখলে সাধারণ মানুষের মনে মায়া জন্মায়, স্নেহ জন্মায়। কিন্তু, কিছু মানুষের শিশুদের দেখলে যৌন আকাঙ্ক্ষা জন্মায়। তারা ওই শরীরের ভিতরটা দেখতে চায়। আসলে এটা তো একটা অসুস্থতা। ব্যক্তিগত জীবনে সন্তান দত্তক নেওয়া প্রসঙ্গেও খোলামেলা কথা বলেছেন এই তারকা। তিনি বলেন, আমি চাইলেই সন্তান দত্তক নিতে পারি, তার জন্য জন্ম দেওয়ার প্রয়োজন নেই। কিন্তু বড় বাধা হলো পরিবেশ। একটি শিশুকে পৃথিবীতে আনলে তার জন্য আগে একটি নিরাপদ আশ্রয় নিশ্চিত করতে হবে। অথচ মানুষ এখন শুধু নিজেকে নিয়েই ব্যস্ত।
পোস্ট লিংক : https://karatoa.com.bd/article/156549