৫৭ বছরের রেকর্ড ভাঙলেন কুক

৫৭ বছরের রেকর্ড ভাঙলেন কুক

অভিষেকের মতো ক্যারিয়ারের শেষ টেস্ট ম্যাচটাও সেঞ্চুরি দিয়ে রাঙিয়ে রাখলেন অ্যালিস্টার কুক। ভারতের বিপক্ষে ওভাল টেস্টে প্রথম ইনিংসে ৭১ রানের পর গতকাল দ্বিতীয় ইনিংসে ১৪৭ রান করেছেন প্রাক্তন ইংল্যান্ড অধিনায়ক।

শেষ টেস্টে সেঞ্চুরি করে বেশ কিছু কীর্তি গড়েছেন কুক। চলুন দেখে নেওয়া যাক সেগুলো।

*টেস্ট ইতিহাসের মাত্র দ্বিতীয় ক্রিকেটার হিসেবে অভিষেক ও শেষ টেস্টের দুই ইনিংসেই ফিফটি-প্লাস রান করলেন কুক। এতদিন এই কীর্তি ছিল শুধুমাত্র দক্ষিণ আফ্রিকার ব্রুস মিচেলের। ২০০৬ সালে কুকের অভিষেকও হয়েছিল ভারতের বিপক্ষে, অভিষেকেও প্রথম ইনিংসে ফিফটির (৬০) পর দ্বিতীয় ইনিংসে করেছিলেন সেঞ্চুরি (১০৪*)।

*ক্যারিয়ারের প্রথম ও শেষ টেস্টে সেঞ্চুরি করা মাত্র পঞ্চম ক্রিকেটার হলেন কুক। এর আগে এই কীর্তি গড়েছেন রেজি ডাফ, বিল পন্সফোর্ড, গ্রেগ চ্যাপেল ও মোহাম্মদ আজহারউদ্দিন।


*কুকের ১৪৭ রান ক্যারিয়ারের শেষ টেস্টের দ্বিতীয় ইনিংসে কোনো ব্যাটসম্যানের সর্বোচ্চ স্কোর। প্রাক্তন ইংলিশ ব্যাটসম্যান রমন সুব্বা রাওয়ের ১৩৭ রান ছিল আগের সর্বোচ্চ। ১৯৬১ সালের আগস্টে অ্যাশেজে রাওয়ের ইনিংসটাও ছিল এই ওভালে। সেখানেই তার ৫৭ বছরের রেকর্ডটা ভেঙে দিলেন কুক।

*কুকের ক্যারিয়ারের ৩৩ সেঞ্চুরির ১৫টি দলের দ্বিতীয় ইনিংসে। দলের দ্বিতীয় ইনিংসে যা কোনো ব্যাটসম্যানের সর্বোচ্চ। কুক ছাড়িয়ে গেছেন দ্বিতীয় ইনিংসে কুমার সাঙ্গাকারার ১৪ সেঞ্চুরিকে। টেস্টের তৃতীয় ইনিংসে কুকের সেঞ্চুরি ১৩টি, এটাও একটা রেকর্ড।

*শেষ টেস্টে সেঞ্চুরির পথে সাঙ্কাকারাকে ছাড়িয়ে টেস্টের পঞ্চম সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক হয়ে গেছেন কুক। আর বাঁহাতি ব্যাটসম্যান হিসেবে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক এখন তিনি, এখানেও ছাড়িয়ে গেছেন সাঙ্গাকারাকে।

*ওদিকে গতকাল ভারত ৪৬৪ রান তাড়ায় ২ রানেই হারায় ৩ উইকেট। ভারতীয়রা এর চেয়ে কম রানে ৩ উইকেট হারিয়েছিল আগে মাত্র একবারই, ১৯৫২ সালে হেডিংলিতে তারা ৩ উইকেট হারিয়েছিল শূন্য রানে। ২০১০ সালে আহমেদাবাদে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষেও ২ রানে হারিয়েছিল ৩ উইকেট।

*গতকাল তৃতীয় ব্যাটসম্যান হিসেবে আউট হওয়ার আগে গোল্ডেন ডাক মারেন ভারত অধিনায়ক বিরাট কোহলি। ২০১৪ সালে লর্ডস টেস্টের পর এই প্রথম গোল্ডেন ডাকের তিক্ত স্বাদ পেলেন তিনি। সব মিলিয়ে এটি তার তৃতীয় গোল্ডেন ডাক ও সপ্তম ডাক।