১০০০ মিনিট পর জিরুডের গোল, জিতল ফ্রান্স

১০০০ মিনিট পর জিরুডের গোল, জিতল ফ্রান্স

ফ্রান্সের স্ট্রাইকার অলিভার জিরুডের থেকে ভাগ্যবান খেলোয়াড় কি পৃথিবীতে আরেকজন আছেন?

রাশিয়া বিশ্বকাপে ফ্রান্স দ্বিতীয়বারের মতো জেতে বিশ্বকাপের ট্রফি। চ্যাম্পিয়নদের হয়ে প্রতিটি ম্যাচ খেলেন জিরুড। কিন্তু কোনো ম্যাচে গোল নেই। নেই অ্যাসিস্টও। ভাবনার বিষয় হচ্ছে তার একটি শটও ছিল না গোলমুখে! শুধু বিশ্বকাপে কেন, বিশ্বকাপের আগে-পরে নেই গোল। সব মিলিয়ে ১ হাজার মিনিট গোলের দেখা পাননি জিরুড।

অবশেষে ভাঙল সেই বাঁধা। গোলের দেখা পেলেন ফ্রান্সের বিশ্বকাপ জয়ী এ স্ট্রাইকার। আর তার গোলেই জিতল ওয়ার্ল্ড চ্যাম্পিয়ন ফ্রান্স। রোববার উয়েফা নেসন্স লিগের গ্রুপ পর্বের প্রথম ম্যাচে পূর্ণ ৩ পয়েন্ট পেয়েছে ফ্রান্স। নিজেদের মাঠে নেদারল্যান্ডসকে ২-১ গোলে হারিয়েছে রাশিয়া বিশ্বকাপের চ্যাম্পিয়নরা।


ম্যাচের শুরুতেই দলকে এগিয়ে নেন কিলিয়ান এমবাপ্পে। মাতুউদির ক্রস থেকে শট নিয়ে গোল করেন উদীয়মান এ স্ট্রাইকার। ৬৭ মিনিটে নেদারল্যান্ডসে সমতায় ফেরান রায়ান বাবেল। কেনি তিতের লো ক্রস থেকে বল পেয়ে গোল করেন বাবেল।

৭ মিনিট পরই আসে সেই মাহেন্দ্রক্ষণ। গোল খরা কাটান জিরুড। বামপ্রান্ত থেকে জেসপার কিলিসেনের ক্রস থেকে ভলিতে গোল করেন জিরুড। চোখের পলকেই গোল। আর দীর্ঘদিন পর গোলের স্বাদ পেয়ে ঘরের মাঠে বেশ উৎসবে মেতে উঠেন ৩১ বছর বয়সী এ স্ট্রাইকার।
 


গত ৬ মে লিভারপুলের বিপক্ষে সবশেষ গোল করেছিলেন জিরুড। ম্যাচের ৩২ মিনিটে গোল করেন চেলসির স্ট্রাইকার। ওই গোলের পর থেকে এক ডজনেরও বেশি ম্যাচ খেলেছেন জিরুড। কিন্তু গোল ছিল না একটিও। বিশ্বকাপে নিজেকে হারিয়ে খুঁজেছেন প্রতিটি ম্যাচে।

ফ্রান্সের হয়ে ৮৩ ম্যাচে এটি জিরুডের ৩২তম গোল। আর এ গোলে জিনেদিন জিদানকে ছাড়িয়ে গেছেন তিনি। কিংবদন্তি জিদান ফ্রান্সের হয়ে গোল করেছেন ৩১টি। জিরুডের ওপরে রয়েছেন ডেভিড ট্রেসেউয়েট (৩৪),  মিচেল প্লাতিনি (৪১) ও থিয়েরি অঁরি (৫১)।