তেজপাতার তেজ কম নয়

তেজপাতার তেজ কম নয়

রান্নায় ভিন্ন স্বাদ এনে দিতে, সুঘ্রাণ যোগ করতে  তেজপাতা ব্যবহার করেন রাঁধুনীরা। তবে আপনি কি জানেন, এই তেজপাতার কতো উপকারিতা? কয়েক ধরনের ক্যানসার রোধ করা, হজম শক্তি বাড়ানো, ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করা, ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ প্রতিরোধ করা, শরীর থেকে দূষিত উপাদান বের করে দেয়া এমন সব ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে তেজপাতা। চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক।

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করে : শরীরের ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণে রাখে তেজপাতা। তাই ডায়াবেটিসে আক্রান্তরা ও এ রোগের ঝুঁকিতে থাকা সবার নিয়মিত তেজপাতাযুক্ত খাবার খাওয়া উচিত।

ক্যানসার রোধ করে : তেজপাতায় পার্থেনোলিড, লিনালোল, ক্যাথেচিনস, ফাইটোনিউট্রিয়েন্টস উপাদান থাকে। এছাড়া অ্যান্টি অক্সিডেন্ট থাকে, এসব উপাদান ক্যানসার সৃষ্টিকারী ফ্রি রেডিক্যালকে প্রতিহত করে।

* মানসিক চাপ ও উদ্বেগ নিয়ন্ত্রণে : তেজপাতায় লিনালোল নামে যে উপাদান থাকে, তা শরীরে স্ট্রেস হরমোনের পরিমাণ কমায়। শরীরে অতি মাত্রায় স্ট্রেস হরমোন থাকলে তা ভবিষ্যতের জন্য খুব ক্ষতিকর হয়ে উঠে। তেজপাতা মানসিক চাপ ও উদ্বেগ কমায়। এতে করে মানসিক চাপে পড়লেও তা সহজে নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন আপনি।

হৃদযন্ত্র ভালো রাখে : রুটিন ও ক্যাফেয়িক এসিড থাকে তেজপাতায়। ক্যাফেয়িক এসিড কার্ডিওভাস্কুলার সিস্টেম থেকে ক্ষতিকর কোলেস্টেরল দূর করে দেয়। আর রুটিন এসিড হৃদপিন্ড সতেজ রাখে।

ব্যথা কমায় : শরীরের ব্যথা দূর করতে সাহায্য করে তেজপাতা। আথ্রাইটিসের ব্যথা কমাতেও উপকারি এটি। নিয়মিত তেজপাতা খেলে এই উপকার পাওয়া যায়।

চুলের যত্নে : পানিতে তেজপাতা চুবিয়ে রেখে কিছুক্ষণ পর সেই পানি মাথার তালুতে ঘষলে খুশকি দূর হয়। এতে চুলের গোড়াও মজবুত হয়। খুশকি দূর করতে তেজপাতা বেশ উপকারি।

হজমে উপকারি : তেজপাতা হজমের জন্য খুব উপকারি। এটি প্রস্রাবের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। এতে করে শরীর থেকে ক্ষতিকর উপাদান বের হয়ে যায়। এমনকি বিষাক্ত কোনো কিছু খেয়ে বমি করার প্রয়োজন হলে তেজপাতা খেলে উপকার পাবেন।

তথ্যসূত্র: ইনস্টিকস