সবার অংশগ্রহণ নিশ্চিত হোক

সবার অংশগ্রহণ নিশ্চিত হোক

আগামী ৩০ অক্টোবর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ক্ষণ গণনা শুরু হওয়ার পর যে কোনো দিন তফসিল ঘোষণা করবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ইসি সচিব হেলালুদ্দীন আহমেদ বলেন, আগামী ৩০ অক্টোবরের পর কাউন্ট ডাউন শুরু হয়ে যাবে। ইসির সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সাধারণত তফসিল ঘোষণার পর ৪৫ দিন সময় রেখে সংসদের ভোটের দিনক্ষণ নির্ধারণ করা হয়। এই হিসাবে নভেম্বরের প্রথমভাগে তফসিল ঘোষণা করে ডিসেম্বরে শেষ হওয়ার কথা। নির্বাচন যতই এগিয়ে আসছে দেশে ও বিদেশে আলোচনা ততই বাড়ছে। দেশের সরকার ও রাজনৈতিক দলগুলো যেমন একটি অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের ব্যাপারে আগ্রহী, তেমনি বাংলাদেশের উন্নয়ন সহযোগী দেশ ও সংস্থাও আসন্ন জাতীয় নির্বাচন নিয়ে তাদের আগ্রহের প্রত্যাশা ব্যক্ত করতে শুরু করেছে।

ইউরোপের ২৮টি দেশের জোট ইউরোপীয় ইউনিয়ন নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধিত সব দলের অংশগ্রহণে আগামী সংসদ নির্বাচন অবাধু, সুষ্ঠু, বিশ্বাসযোগ্য ও স্বচ্ছ দেখতে চায় বলে জানিয়েছে। শুধু অংশীজন কিংবা উন্নয়ন সহযোগী নয়, দেশের মানুষেরও চাওয়া একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন, যেখানে দেশের সব রাজনৈতিক দল অংশ নেবে। নির্বাচন হবে উৎসব মুখর। এর জন্য সবার আগে নির্বাচন কমিশনকে দায়িত্বশীল হতে হবে। সুস্থ রাজনৈতিক সংস্কৃতি সুস্থ গণতন্ত্রের পূর্বশর্ত। রাজনীতিকে রাজনীতির মতো চলতে দিতে হবে। সব রাজনৈতিক দলের স্বাভাবিক কর্মকান্ড পরিচালনার নিশ্চয়তা বিধান করা রাষ্ট্রের কর্তব্য। গণতন্ত্রকে স্থায়ী ও প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেয়ার জন্য আমাদের গণতান্ত্রিক শাসনের দুর্বলতাকে আগে দূর করতে হবে। সবার জন্য নির্বাচনের সমতল মাঠ থাকার সুযোগ থাকতে হবে। কোন পক্ষপাতিত্ব নয়। তবেই সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে ভোট যুদ্ধে গণতন্ত্রের জয় হবে- এমনটিই দেখতে চায় দেশবাসী।