মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বৈষম্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে হবে

মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বৈষম্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে হবে

আতাউর রহমান মিটন: সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে ডিসেম্বরের মধ্যেই একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচন কমিশন ৩০ অক্টোবরের পর যে কোন দিন নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করবেন। দেশের মানুষ একটি অংশগ্রহণমূলক, শান্তিপূর্ণ ও অবাধ নির্বাচন চায়। মতভেদ, বিতর্ক, দর কষাকষি ইত্যাদি সত্ত্বেও শেষ পর্যন্ত সকলেই জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল ও আস্থাশীল থাকবেন এবং গণরায় মেনে নিয়ে বাংলাদেশকে গণতান্ত্রিক ধারায় বিকশিত করবেন এটাই কাম্য। চোরা পথ বা ষড়যন্ত্রের পথ জনগণের পথ নয়, তাই সেই পথের যাত্রীদের জনগণ কখনই সমর্থন করে না।

নির্বাচন আমাদের জীবনে একটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠান। নির্বাচনী আলোচনায় মানুষের আগ্রহ অসীম এবং এ বিষয়ে আলোচনা করতে আমাদের দেশের মানুষ খুবই পারদর্শী। চায়ের কাপে ঝড় তোলা এই মানুষগুলো বসে নেই। গ্রামে-গঞ্জে, হাটে-বাজারে আলোচনা শুরু হয়েছ্।ে কে জিতলে কার লাভ সেই হিসেব-নিকেষ প্রতিদিন চলছে। যদিও শেষ পর্যন্ত লাভ হয় শুধু তাঁর যিনি ভোটে জেতেন। ভোটে জেতার পর ক্ষমতার স্বর্গসুখ এসে আশ্রয় নেয় জয়ী প্রতিনিধির ঘরে। আর সাধারণ মানুষকে তাদের নিজেদের পরিশ্রম ও মেধার উপর ভর দিয়েই চলতে হয়! তাদের কষ্টের দিন, দিনের পর দিন, সহজে শেষ হতে চায় না। আমাদের দুঃখজনক অভিজ্ঞতা হচ্ছে, ভোটে জয়ী একজন প্রার্থীর দিন যে পরিমাণে বদলায়, সাধারণ মানুষের ভাগ্য সে তুলনায় শতভাগের একভাগও বদলায় না। যদিও আমরা পুরনো সেই অভিজ্ঞতার পুনরাবৃত্তি নয়, বরং নতুন আশায় বুক বাঁধতে চাই।

মহান মুক্তিযুদ্ধের মধ্যে দিয়ে অর্জিত এই বাংলাদেশ পরিচালিত হবে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায়। এটা নিয়ে নতুন করে কথা বলার বা আলোচনার কোন আবশ্যকতা নেই। রক্তে লেখা আমাদের সংবিধানে নির্দেশিত পথে সরকারগুলো সত্যি সত্যি পরিচালিত হলে আমাদের দেশে দারিদ্র্য ও বৈষম্য অনেক আগেই বহুলাংশে কমে যেত। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে আমরা দারিদ্র্য অবসান ও বৈষম্যহীন সমাজ গড়তে ব্যর্থ হয়েছি। সূচকের হিসেবে দারিদ্র্য রেখা হয়তো নি¤œগামী কিন্তু বৈষম্য রেখা উপরের দিকে দ্রুতগতিতে ধাবমান। আর কোন সমাজে বৈষম্য যখন বেড়ে যায় তখন সেই সমাজে অস্থিতিশীলতাও বেড়ে যায়। বৈষম্যহীন সমাজ গড়ে তুলতে না পারার ব্যর্থতা আমাদের সবার। বিশেষ করে নির্বাচিত হয়ে যাঁরা তাদের প্রতিশ্রুতি ও জনগণকে দেয়া অঙ্গীকার ভুলে গিয়ে কেবল নিজেদের আখের গোছাতে ব্যস্ত থাকেন, ব্যর্থতার দায় সেই স্বার্থ লোলুপ নেতৃত্বের!

আমরা সবাই জানি, আগামী ২০২১ সালে মুক্তিযুদ্ধের ৫০ বছর পূর্ণ হবে। সুবর্ণজয়ন্তীর এই বছরটি উদযাপনের জন্য ইতোমধ্যে সরকারের পক্ষ থেকে একটি পরিকল্পনা ঘোষণা করা হয়েছে। বর্তমান সরকার কেবল ২০২১ সাল নয়, ২০৪১ এবং সম্প্রতি ২১০০ সাল পর্যন্ত ‘রূপকল্প’ ঘোষণা করতে যাচ্ছে। আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মধ্যে দিয়ে গঠিত সরকারই আগামী ২০২১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন করবে। এই সরকারের কার্যক্রমের ফলেই ২০২৪ সালে বাংলাদেশ উন্নীত হবে মধ্যম আয়ের দেশে। শুরু হয়েছে মধ্যম আয়ের দেশে উত্তরণের ঐতিহাসিক কালপর্ব। একটি উন্নত ভবিষ্যতের দিকে পা বাড়িয়েছে বাংলাদেশ। সর্বক্ষেত্রে ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি পেয়েছে এবং তা জাতীয় উন্নয়নের গতিকে ত্বরান্বিত করার পাশাপাশি মানুষের জীবনযাপনকে সহজ করেছে। মানুষ এখন চাইলেই তার মুঠো ফোন কাজে লাগিয়ে সহজে ইচ্ছাপূরণ করতে পারে। মানুষের আয় বাড়ছে, বাড়ছে ভোগের চাহিদা। এই এগিয়ে যাওয়াকে আমরা বলছি ‘উন্নয়ন’। যদিও চলমান এই উন্নয়নকে বিরোধী শিবিরগুলো ‘লুটপাটের স্বর্গরাজ্য’ হিসেবে অভিহিত করছেন। এটা সত্য ‘বড় ক্ষমতার সাথে আসে বড় দায়িত্ব’ - এ্ই কথাটা শাসকশ্রেণীর অনেকের মধ্যেই দেখা যায় না। ক্ষমতা গ্রহণকে সত্যিকারের দায়িত্ব গ্রহণ হিসেবে বিবেচনা করলে প্রতিদিন  সংবাদপত্রের পাতা জুড়ে এতসব নেতিবাচক সংবাদ ছাপা হতো না! জনগণের এই বেদনাদায়ক অভিজ্ঞতার পুনরাবৃত্তি কারোরই কাম্য নয়।

আগামীতে উন্নত বাংলাদেশ গড়ে তোলার সাফল্য বহুলাংশে নির্ভর করছে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কোন দল বা জোট সরকার গঠন করছে তার উপর। সে কারণে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী রাজনৈতিক দল বা জোটসমূহের ‘নির্বাচনী ইশতেহার’ খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি দলিল হিসেবে বিবেচিত। আমাদের বিশ্বাস, রাজনৈতিক দল বা জোটসমূহ জনআকাঙ্খা বিবেচনায় নিয়েই তাঁদের নির্বাচনী ইশতেহার প্রণয়ন করবেন। আমাদের দেশে নির্বাচনী ইশতেহার দেখে বা বিশ্লেষণ করে ভোট দেয়ার প্রবণতা না থাকলেও ‘নির্বাচনী ইশতেহার’ একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক দলিল। যতটুকু জানি, প্রধান প্রধান রাজনৈতিক গুলো তাদের নির্বাচনী ইশতেহার প্রায় চূড়ান্ত করে এনেছেন। নির্বাচনী তফসিল ঘোষণার পর পরই হয়তো দলগুলো তাদের এই ‘ইশতেহার’ জনগণের বিবেচনার জন্য তুলে ধরবেন। নাগরিক সমাজের বিভিন্ন অংশ চেষ্টা করছে নির্বাচনী ইশতেহারে নিজেদের দাবিগুলো সন্নিবেশনের।  এটা একটা সুন্দর গণতান্ত্রিক চর্চা। এ ধরনের গণতান্ত্রিক চর্চ্চার বিকাশ আমাদের কাম্য।

আমরা কি ধরনের নির্বাচনী ইশতেহার চাই? প্রশ্নটার সহজ কোন উত্তর নেই। আমি এখানে আমার কিছু চাওয়া তুলে ধরছি মাত্র। আমি মনে করি রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি অনুযায়ী প্রত্যেক দল তাদের ইশতেহার প্রদান করবেন কিন্তু সকল দলেরই উচিত মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উৎসারিত কর্মসূচিগুলোকে অগ্রাধিকার দেয়া। দারিদ্র্যমুক্তি, বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গঠনের পথ ও কর্মসূচি ভিন্ন ভিন্ন হতেই পারে কিন্তু বাহাত্তরের সংবিধানের মূলনীতি থেকে বিচ্যুত হওয়াটা গ্রহণযোগ্য নয়। ‘উন্নত বাংলাদেশ’ বলতে আমরা বুঝি ‘উন্নত মানবিক বোধসম্পন্ন’ একটি দেশ। তেমন একটি বাংলাদেশ গঠনের প্রত্যয়ে জাতিকে অনুপ্রাণিত করার ঘোষণা, অঙ্গীকার ও কর্মসূচি চাই। আমরা এগিয়ে যাব সুন্দর আগামীর দিকে, কিন্তু আমাদের শেকড় পোতা থাকবে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাভূমিতে। রাজনৈতিক দলসমূহের কর্মসূচিতে ভিন্নতা থাকতে পারে কিন্তু মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সাথে, বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার আকাঙ্খার সাথে কোন আপোষ থাকতে পারে না।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও তারুণ্যের শক্তিকে বিকশিত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করতে হবে। আধমরাদের ঘা মেরে জাতিকে বাঁচাতে হবে। নতুন নেতৃত্বেকে জায়গা ছেড়ে দিতে হবে। আমরা চাই, আগামীর সরকারে বর্ষীয়ান, অভিজ্ঞ নেতৃবৃন্দ উপদেষ্টা হিসেবে তরুণদের পাশে থাকবেন কিন্তু উন্নত বাংলাদেশ গড়ার কারিগর হবেন এদেশের তরুণ সমাজ। তাদেরকে সুযোগ দিতে হবে। তথ্য প্রযুক্তির কাঁধে চেপে আমাদের তরুণেরা পুরো বিশ্বে দাপিয়ে বেড়াতে সক্ষম হবে, এমন একটি সহায়ক সরকার আমাদের কাম্য। আমরা এমন সরকার চাই, যে সরর্কা আমাদের আশা করার ক্ষেত্রটাকে বাড়াবে, মনে ভরসা জাগিয়ে তুলবে। সংবিধানে বর্ণিত ‘পরিকল্পিত অর্থনৈতিক বিকাশের মাধ্যমে উৎপাদনশক্তির ক্রমবৃদ্ধিসাধন এবং জনগণের জীবনযাত্রার বস্তুগত ও সংস্কৃতিগত মানের দৃঢ় উন্নতিসাধন’ করা সরকারের অন্যতম দায়িত্ব ও কর্তব্য। সরকারের এই দায়িত্ব সুষ্ঠুভাবে পালনের জন্য স্থানীয় সরকারের ক্ষমতায়ন অপরিহার্য। তৃণমূল পর্যায়ে প্রতিটি ইউনিয়ন পরিষদ এর উদ্যোগে গ্রামভিত্তিক কমিটি গঠন করে গ্রামগুলিকে ব্যবস্থাবদ্ধ করা এবং গ্রামের বিরাজমান দারিদ্র্য দূর করার জন্য উদ্যোগ গ্রহণ করা জরুরি। ইউনিয়নভিত্তিক পরিকল্পনা ও উদ্যোগ গ্রহণ করে স্থানীয়ভাবে সৌরবিদুৎ উৎপাদন, সুপেয় পানীয় জলের নিশ্চয়তা বিধান, গণমুখী ও বিজ্ঞানভিত্তিক শিক্ষার মত জরুরি বিষয়গুলো নিশ্চিত করা সম্ভব।

আমরা এমন এক বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখি যেখানে গণতন্ত্র সুরক্ষিত, সামাজিক ন্যায়বিচার নিশ্চিত, সকল ক্ষেত্রে নারীর অধিকার ও সুযোগ সমান, আইনের শাসন, মানবাধিকার এবং সুশাসন নিশ্চিত। তথ্য প্রযুক্তির বিকাশ এবং সর্বোত্তম ব্যবহারের ফলে দেশে দুর্নীতির বিস্তার রোধ হয়েছে। জনগণের জীবন গতিশীল হয়েছে এবং বাংলাদেশের মানুষ বিশ্বের সাথে যুক্ত হয়ে, নিজেদের মেধা ও শ্রমের উৎকর্ষতায় বিশ্ব নাগরিকে পরিণত হয়েছে। একটি শান্তিপূর্ণ, স্থিতিশীল এবং ভারসাম্যপূর্ণ বিশ্ব প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশ সকলের সাথে বন্ধুত্ব ও অংশীদারিত্ব সৃষ্টির মনোভাব নিয়ে কাজ করছে। প্রত্যেক রাজনৈতিক দল তাঁদের নীতি, আদর্শ অনুযায়ী নিজেদের মত করে কর্মসূচি দিবেন। রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গীর ভিন্নতার কারণে সকল রাজনৈতিক দলের কর্মসূচি আলাদা আলাদা হওয়াটাই স্বাভাবিক। তবে দলের চেয়ে যেহেতু দেশ বড় তাই দেশের স্বার্থে, বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর স্বার্থে কর্মসূচি ঘোষণা করতে হবে।

একজন ভোটার হিসেবে আমি এখানে আমার কয়েকটি চাওয়া তুলে ধরছি। আমি চাই, ১.সর্বজনীন মানবাধিকার ঘোষণা বাংলাদেশের সংবিধানের আলোকে খাদ্য অধিকার নিশ্চিতকরণে সহায়ক আইনী কাঠামো গড়ে তোলা হোক২.সকল নাগরিকের ন্যুনতম খাদ্য ও পুষ্টি চাহিদা পূরণে কৃষি, মৎস্য, প্রাণী সম্পদসহ সকল ক্ষেত্রে খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধি, মজুদ ও সরবরাহ নিশ্চিত করা হোক, ৩.নিরাপদ খাদ্য ফাউন্ডেশন ও সার্বভৌম খাদ্য কমিশন গঠন করা হোক, ৪.বৈষম্যহীন, একমুখী তথা গণকেন্দ্রিক শিক্ষা ব্যবস্থা চালু করা হোক, ৫.দক্ষ ও মানবিক গুণাবলীসম্পন্ন জনশক্তি গঠনের লক্ষ্যে কারিগরী শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের সুযোগ বৃদ্ধি করা হোক, ৬.দেশে-বিদেশে কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে রাষ্ট্রীয় সহায়তা সহজলভ্য করা হোক, ৭.সকলের জন্য প্রযুক্তি নির্ভর, মানসম্পন্ন ও নিরাপদ আবাসন নিশ্চিতকরণে গ্রাম-শহর নির্বিশেষে, সহজশর্তে ঋণ সহায়তা সহজলভ্য করা হোক;, ৮.আধুনিক ও ব্যয় সাশ্রয়ী আবাসন নির্মাণ পরিকল্পনা প্রতিষ্ঠান উপজেলা পর্যায়েও বিস্তৃত করা ও জনসম্পৃক্ততা বৃদ্ধি করা হোক, ৯.প্রত্যেক উপজেলায় শিক্ষা ও স্বাস্থ্য, কর্মসংস্থানসহ অন্যান্য নাগরিক সুবিধা বৃদ্ধি তথা অত্যাবশ্যকীয় সেবা সুবিধাসমুহের বিকেন্দ্রীকরণ করে সর্বস্তরে উন্নত জীবনমান নিশ্চিত করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হোক, ১০.‘সবার আগে শিশু’, ‘শিশু বান্ধব সমাজ’ সকল ক্ষেত্রে এই হোক অগ্রাধিকার;
১১.যুব উন্নয়ন ও বিকাশকে জাতীয় অগ্রাধিকার দিয়ে মোট জাতীয় বাজেটের ন্যুনতম ৩% অর্থ বরাদ্দ করা হোক, ১২.আন্তর্জাতিক বাজারের চাহিদা বিবেচনায় ভাষা শিক্ষাসহ দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলা ও বাজার সৃষ্টিতে বিশেষ সহায়ক কর্মসূচী গ্রহণ করা হোক।

উপরের চাওয়াগুলি অনেক চাওয়ার কিছু অংশ মাত্র। একজন সত্যিকারের জনদরদি নেতৃত্বের কাছে কিছু চাইতে হয় না। জনগণকে ভালবেসে, জনস্বার্থে তারাই বরং অনেক দূরদর্শি সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে থাকেন। একজন সত্যিকারের দেশপ্রেমিক নেতা খুব ভাল করেই জানেন, কি করতে হবে। স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, সমৃদ্ধি রক্ষার দায়িত্ব জনগণ যাঁদের হাতে অর্পণ করেন তাঁরা যোগ্য ব্যক্তি হওয়াটাই কাম্য। অতীতের কার্যক্রম মূল্যায়ন করে ভবিষ্যতের নেতা নির্বাচন করতে ভুল করলে জনগণকেই পস্তাতে হবে। যোগ্য দেখে পক্ষ নিতে হবে। ভোটদানের অধিকারকে বিচক্ষণতার সাথে ব্যবহার করতে পারতে হবে। সকল দলের অংশগ্রহণে দেশে সুষ্ঠুভাবে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে এটা জনগণ প্রত্যাশা করে। জাতীয় নেতৃবৃন্দ অবশ্যই সংঘাত নয়, সম্মানজনক সমাঝোতার পথে দায়িত্বশীলভাবে সিদ্ধান্ত নিবেন বলে আমরা প্রত্যাশা করি।
লেখক: সংগঠক-প্রাবন্ধিক
[email protected]
০১৭১১-৫২৬৯৭৯