বাজার যেন একক কর্তৃত্বে না চলে সরকার সর্তক: বাণিজ্যমন্ত্রী

বাজার যেন একক কর্তৃত্বে   না চলে সরকার সর্তক: বাণিজ্যমন্ত্রী

বাজারে যাতে এককভাবে কেউ কর্তৃত্ব করতে না পারে সেদিকে সরকার দৃষ্টি রাখবে বলে প্রতিশ্র“তি দিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ। বৃহস্পতিবার সিরডাপ মিলনায়তনে বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশন আয়োজিত ‘ব্যবসা-বাণিজ্য প্রতিযোগিতা নিশ্চিতকরণ-বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশনের ভূমিকা’ শীর্ষক সেমিনারে মন্ত্রী একথা বলেন । কমিশনটিকে যুগোপযোগী করতে প্রতিযোগিতা কমিশনের চেয়ারপারসন ও সদস্যদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তোফায়েল বলেন, ব্যবসায় মনোপলি যাতে না হয়। বাজারে যাতে এককভাবে কেউ কর্তৃত্ব করতে না পারে সেদিকে আমরা দৃষ্টি রাখব।

২০১২ সালের ২১ জুন আইন প্রণয়নের পর ২০১৬ সালে কাজ শুরু করেছিল বলে বাণিজ্যমন্ত্রী জানান।  বর্তমানে রাজনৈতিক পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, সবচেয়ে বড় কথা রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা, জ্বালাও-পোড়াও আর হচ্ছে না- এটি ভাল লক্ষণ। জেলে থাকার পরও তারা নিয়মতান্ত্রিকভাবে আন্দোলন করছে। যদি অস্থিতিশীলতা করতে চায়, তাদেরও ক্ষতি হবে- এই উপলব্ধি হয়েছে।  সেমিনারে এফবিসিসিআই সভাপতি সফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন বলেন, ব্যবসায় সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখতে অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে ‘এনফোর্সমেন্টে’ যেতে হবে কমিশনকে।মূল প্রবন্ধে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের দিকেও বিশেষ নজর দেওয়ার উপর জোর দিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজনেস স্টাডিস অনুষদের ডিন শিবলী রুবায়েত উল ইসলাম। উন্নয়ন সমন্বয়ের এমিরেটস ফেলো ড. এনামুল হক বলেন, কমিশনকে বাজারের কাঠামো ঠিক করা, গবেষণা করা এবং অনেকগুলো প্রতিষ্ঠানকে সাথে কাজ করার পরিকল্পনা রাখার কথা বলেন।বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান অর্থনীতিবিদ ড. ফয়সাল আহমেদ বলেন,  রেগুলেটরি কমিশনগুলোই চাপের মধ্যে কাজ করে এ বিষয়গুলো খেয়াল রাখতে হবে। প্রতিযোগিতা কমিশনের কাজ করতে হবে ২০৪১ সালের দিকে লক্ষ্য রেখে। সেমিনারে বাণিজ্য সচিব শুভাশীষ বসু, কমিশন চেয়ারপারসন ইকবাল খান চৌধুরী ও বিআইডিএসের সিনিয়র রিসার্চ ফেলো ড. নাজনীন আহমেদ বক্তব্য দেন।