নাগেশ্বরীতে ব্রিজ ভেঙে ভেলায় পারাপার

নাগেশ্বরীতে ব্রিজ ভেঙে ভেলায় পারাপার

নাগেশ্বরী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি : নাগেশ্বরীতে এক বছরেও পুনঃ নির্মাণ হয়নি বন্যায় ভেঙ্গে যাওয়া পাটেশ্বরী ব্রিজ। ড্রাম ও বাঁশের ভেলায় ঝুকি নিয়ে পারপার করছে  সহস্রাধিক শিশু শিক্ষার্থীসহ ৫ গ্রামের মানুষ।কেয়ার বাংলাদেশ ১৯৯৩ সালে ৬ লক্ষ ১০ হাজার টাকা ব্যয়ে মেসার্স আদম আলী ট্রেডার্সের মাধ্যেমে বামনডাঙ্গা ইউনিয়নের পাটেশ্বরী বিলে পাটেশ্বরী-ধনীটারী সড়কে ৩০ ফুট দৈর্ঘ্যরে পাটেশ্বরী ব্রিজ নির্মাণ করে। নির্মাণ কাজ শেষ হওয়ার আগে ওই বছরেই বন্যার পানির তীব্র স্রোতে প্রথম দফায় তা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ভেসে যায় অনেক নির্মাণ সামগ্রী। বন্যা পরবর্তী ব্রিজের বাকী কাজ সম্পন্ন হয়। এরপর বেশ কয়েক বছর বড় কোন বন্যা না হওয়ায় টিকে যাওয়া সেই ব্রিজে ২০১৫ সাল পর্যন্ত নির্বিঘেœ পাড়াপাড় করে আসছিল পার্শ¦বর্তী পাটেশ্বরী, ধনিটারী, অন্তাইপাড়, রুইয়ারপাড়, বড়মানী গ্রামের মানুষ ।

 ২০১৬ সালে বন্যার পানির তীব্র ¯্রােতে দ্বিতীয় দফায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে হেলে পড়ে ব্রিজটি। ঝুকিপূর্ণ হলেও মানুষের চলাচল অব্যাহত ছিল। গত বছরের বন্যায় তা সম্পূর্নরুপে ভেঙ্গে ভেসে যাওয়ায় যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে মানুষ। এক বছরেও তা পুনঃ নির্মাণ হয়নি। বাধ্য হয়ে স্থানীয়রা নিজেদের খরচে ড্রাম ও বাঁশের চাটাই দিয়ে তৈরি করে ভেলা। এখন এটিতে চড়ে ঝুকি নিয়ে পাটেশ^রী বিল পারাপার করছে মানুষ। একটু অসাবধানতায় প্রায় প্রতিদিন কোন না কোন শিশু শিক্ষার্থী ভেলা থেকে পড়ে বই খাতা ভিজিয়ে বাসায় ফিরে যায়। এ কারনে ধনীটারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কমে গছে শিক্ষার্থী উপস্থিতি সংখ্যা। একই সমস্যায় পড়তে হয় এ পথে যাতাযাতকারী অন্যান্য মানুষদের। তাই তারা সন্ধ্যার আগে বাড়ি ফেরে। তাই দ্রুত সেখানে একটি ব্রিজ পুনঃ নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী। বামনডাঙ্গা ইউপি চেয়ারম্যান আমজাদ হোসেন ব্যাপারী  বলেন,   এলাকাবাসীর পারাপারে দুর্ভোগ নিরসনে সেখানে নতুন একটি ব্রিজ নির্মাণ করা জরুরি।