‘চাঁদনী সন্ধ্যা’ যেন বারবার ফিরে আসে বললেন নাইম-শাবনাজ

‘চাঁদনী সন্ধ্যা’ যেন বারবার ফিরে আসে বললেন নাইম-শাবনাজ

অভি মঈনুদ্দীন ঃ বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের অন্যতম সফল তারকা জুটি এবং ব্যক্তি জীবনে সুখী তারকা দম্পতি নাইম-শাবনাজ এদেশের চলচ্চিত্রের ইতিহাসে এক অনবদ্য তারকা জুটি’র নাম। আজ থেকে ২৭ বছর আহে এহতেশামের হাত ধরে ‘চাঁদনী’ সিনেমায় অভিনয়ের মধ্যদিয়ে রূপালী জগতে এই জুটির যাত্রা শুরু হয়েছিলো। ‘চাঁদনী’ সিনেমার মধ্যদিয়েই নাইম শাবনাজ জুটি হিসেবে আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তা পান। যে কারণে পরবর্তীতে তাদের পথ অনুসরণ করেই চলচ্চিত্রে আসেন সালমান শাহ, মৌসুমী, ওমরসানী, শাবনূর, পপি, পূর্ণিমা, রিয়াজ, ফেরদৌস, শাকিল খান, শাকিব খান’সহ আরো অনেকে। ‘চাঁদনী’র পর নাইম শাবনাজ জুটিবদ্ধ হয়ে আরো ানেক সিনেমায় অভিনয় করেন। যার অধিকাংশ সিনেমাই ছিলো ব্যবসাসফল। ২০১৬ সালের নভেম্বর মাসে রাজধানীর গুলশানের একটি অভিজাঁত রেঁস্তোরায় ‘চাঁদনী’ সিনেমার রজত জয়ন্তীতে নাইম শাবনাজ আয়োজন করেন ‘চাঁদনী সন্ধ্যা’র। যেখানে চলচ্চিত্রের অনেক তারকাই উপস্থিত হয়েছিলেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়েছিলেন কবরী, এটিএম শামসুজ্জামান, জাভেদ, ইলিয়াস কাঞ্চন, অঞ্জনা, অরুনা বিশ্বাস, চম্পা, ওমরসানী, মিশা সওদাগর, আমিন খান, আফসানা মিমি, মৌসুমী, রিয়াজ, পূর্ণিমা, পপি, ফেরদৌস, শিল্পী, মুনমুন, তারিন, বিদ্যা সিনহা মিম, কেয়া, আরিফিন শুভ, সুইটি, তাহমিনা সুলতানা মৌ, দীপা খন্দকার, ফারজানা চুমকি, ফেরদৌস ওয়াহিদ’সহ আরো অনেক তারকা।

মুক্তিযুদ্ধের পর বাংলাদেশের কোন চলচ্চিত্রের ‘রজত জয়ন্তী’ অনুষ্ঠানে এতো তারকার সমাবেশ ঘটেনি যা ঘটেছিলো ‘চাঁদনী সন্ধ্যা’য়। কিন্তু এর পরবর্তীতে এভাবে আর কোন সিনেমারই রজত জয়ন্তী অনুষ্ঠান বা ভিন্ন কোন অনুষ্ঠান ‘চাঁদনী সন্ধ্যা’র মতো আড়ম্বরপূর্ণভাবে হয়নি। কিন্তু নাইম শাবনাজ সবসময়ই চান ‘চাঁদনী সন্ধ্যা’র মতো অনুষ্ঠান যেন চলচ্চিত্রে হয়। যদি এই ধারাবাহিকতা বজায় থাকে তাহলে চলচ্চিত্র পরিবারের মধ্যে আতিœক যোগাযোগটা আরো দৃঢ় হবে। নাঈম বলেন,‘ যেহেতু চলচ্চিত্রই আমাকে আজকের নাইমে পরিণত করেছে তাই আমি সবসময়ই চাই,  চলচ্চিত্রের জন্য যা কল্যাণকর তাই যেন হয়। চাঁদনী সন্ধ্যা’র মতো অনুষ্ঠান হবারও প্রয়োজন আছে। তাতে নিজেদের মধ্যে যোগাযোগটা বাড়ে, সম্পর্ক আরো দৃঢ় হয়।’ শাবনাজ বলেন,‘ চাঁদনী সন্ধ্যায় যারা সেই সময় এসেছিলেন তাদের প্রতি এখনো আমাদের কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। কারণ সবার উপস্থিতিতেই চাঁদনী সন্ধ্যা হয়ে উঠেছিলো স্মরণকালের একটি অনুষ্ঠান। জানিনা আগামীতে এমন কোন অনুষ্ঠান আমার চলচ্চিত্র পরিবারের জন্য করতে পারবো কী না। তবে আমি এবং নাইম এখনো চলচ্চিত্রকে, চলচ্চিত্র পরিবারের সবাইকে অনেক ভালোবাসি। হয়তো জীবনের প্রয়োজনে আমরা এখন অন্যকিছু নিয়ে ব্যস্ত। কিন্তু আমরা মনেপ্রাণে চলচ্চিত্রকে ্আমাদের মধ্যে লালন করি, ভালোবাসি। কারণ চলচ্চিত্রে এসেই আল্লাহ আমাদের দু’জনকে একসাথে এগিয়ে চলার পথ সৃষ্টি করে দিয়েছেন।’ ছবি ঃ দীপু খান।