এল সালভাদরকে উড়িয়ে দিল ব্রাজিল

এল সালভাদরকে উড়িয়ে দিল ব্রাজিল

গোল করার পাশাপাশি সতীর্থদের দিয়ে করালেন দারুণ খেলা নেইমার। জাতীয় দলের হয়ে প্রথমবার শুরুর একাদশে নেমেই জোড়া গোল করলেন রিশার্লিসন।তাতে এল সালভাদরকে উড়িয়ে দিল ব্রাজিল।

গোল করার পাশাপাশি সতীর্থদের দিয়ে করালেন দারুণ খেলা নেইমার। জাতীয় দলের হয়ে প্রথমবার শুরুর একাদশে নেমেই জোড়া গোল করলেন রিশার্লিসন। তাতে এল সালভাদরকে উড়িয়ে দিল ব্রাজিল।

যুক্তরাষ্ট্রের ম্যারিল্যান্ডে বাংলাদেশ সময় বুধবার সকালে ৫-০ গোলে জিতে পাঁচবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা। শুরুতে দলকে এগিয়ে দেওয়ার পর তিন সতীর্থের গোলে অবদান রাখেন অধিনায়ক নেইমার।

বিশ্বকাপের কোয়ার্টার-ফাইনাল থেকে ছিটকে পড়ার পর তিতের দলের এটা টানা দ্বিতীয় জয়। তিন দিন আগে যুক্তরাষ্ট্রকে ২-০ গোলে হারিয়েছিল ব্রাজিল।

ফিফা রাঙ্কিংয়ের ৭২তম স্থানে থাকা দলের বিপক্ষে জয় নিয়ে মোটেও ভাবতে হয়নি ব্রাজিলকে। ম্যাচের শুরুর দিকে অল্প সময়ের মধ্যে দুই গোলে এগিয়ে যায় তারা।

 চতুর্থ মিনিটে নেইমারের সফল স্পট কিকে এগিয়ে যায় ব্রাজিল। রিশার্লিসন প্রতিপক্ষের ডি-বক্সে ফাউলের শিকার হলে পেনাল্টির বাঁশি বাজান রেফারি। আর ষোড়শ মিনিটে নেইমারের পাস ডি-বক্সে পেয়ে দুর্দান্ত বাঁকানো শটে জাল খুঁজে নেন এভারটন ফরোয়ার্ড রিশার্লিসন।

তিন দিন আগে যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে ২-০ ব্যবধানে জেতা ম্যাচেও পেনাল্টি থেকে একটি গোল করেছিলেন নেইমার। আন্তর্জাতিক ফুটবলে তার গোল হলো ৫৯টি। ব্রাজিলের হয়ে তার চেয়ে বেশি গোল আছে কেবল রোনালদো (৬২) ও পেলের (৭৭)।

পাঁচ মিনিট পর নেইমারের জোরালো শট ক্রসবারে বাধা পায়।

৩০তম মিনিটে দারুণ এক পাল্টা আক্রমণে ব্যবধান আরও বাড়ান কৌতিনিয়ো। বাঁ দিক দিয়ে আক্রমণে ওঠা নেইমার অনেকটা দৌড়ে একজনকে কাটিয়ে বল বাড়ান ডান দিকে। আর ডি-বক্সের বাইরে থেকে জোরালো শটে বল ঠিকানায় পাঠান বার্সেলোনা মিডফিল্ডার। জায়গা থেকে নড়ার সুযোগ পাননি গোলরক্ষক।

বিরতির আগে ব্যবধান আরও বাড়াতে পারতেন নেইমার। বল পায়ে একা ডি-বক্সে ঢুকে পড়েন পিএসজি ফরোয়ার্ড, তাকে আটকাতে গিয়ে পড়ে যান গোলরক্ষক; কিন্তু ফাঁকা জাল পেয়েও সুবর্ণ সুযোগটা কাজে লাগাতে পারেননি তিনি।

.দ্বিতীয়ার্ধের পঞ্চম মিনিটে নিজের দ্বিতীয় ও দলের চতুর্থ গোলটি করেন রিশার্লিসন। ডি-বক্সে প্রতিপক্ষের ট্যাকলে কৌতিনিয়ো পড়ে গেলে আলগা বল পেয়ে বাঁ পায়ের শটে কাছের পোস্ট ঘেঁষে লক্ষ্যভেদ করেন ২১ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ড।

আর নির্ধারিত সময়ের একেবারে শেষ মিনিটে নেইমারের কর্নার থেকে হেডে সালভাদরের কফিনে শেষ পেরেকটি ঠুকে দেন পিএসজির ডিফেন্ডার মার্কিনিয়োস। পুরো ম্যাচে একবারের জন্যও ব্রাজিলের গোলরক্ষক নেতোকে পরীক্ষা ফেলতে পারেনি সালভাদর।