বড়কেই বেশি ছাড় দিতে হয়

  বড়কেই বেশি ছাড় দিতে হয়

আতাউর রহমান মিটন : আমেরিকায় আট বছর পর আবার প্রতিনিধি পরিষদের নিয়ন্ত্রণ হাতে নিলেন ডেমোক্রাটরা। এর ফলে প্রেসিডেন্ট হিসেবে  ডোনাল্ড ট্রাম্প এর দায়িত্ব পালনে কোন সমস্যা না হলেও নিরঙ্কুশ আধিপত্য নিয়ে শাসন ক্ষমতা প্রয়োগে তাকে ধাক্কা খেতে হবে। আমেরিকার মধ্যবর্তী এই নির্বাচনকে সাধারণভাবে ক্ষমতাসীন রাষ্ট্রপতির গ্রহণযোগ্যতা যাচাইয়ের গণভোট হিসেবে দেখা হয় আর তাতে স্পষ্টই বোঝা যাচ্ছে যে, আমেরিকার ভোটাররা সেখানে ট্রাম্পকে সতর্ক বার্তা দিয়েছেন এবং তারা ভবিষ্যতে আমেরিকার রাজনীতিতে একটা পরিবর্তন চাইছেন। ক্ষমতা পরিবর্তনের হাওয়া এখন আরও অনেক দেশেই প্রবাহমান।ক্ষমতা চিরস্থায়ী কোন বন্দোবস্ত নয়। কেউই জবাবদিহিতার উর্ধ্বে নন। একদিন না একদিন সকলকেই বিচারের মুখোমুখি হতে হয়। ভোটের ফলও এক ধরনের বিচার। জনগণের বিচার। এই বিচার ব্যবস্থাপনা সুষ্ঠু হওয়া দরকার। কেউ যদি নিজেদের পক্ষে বিচারের রায় টেনে নেয়ার জন্য ভোট ব্যবস্থায় কারচুপি বা সূক্ষ্ম কারচুপি’র পরিকল্পনা করেন তবে সেটা রুখে দেয়া আমাদের নাগরিক দায়িত্ব। আমার ভোট আমি দেব, যাকে খুশী তাকে দেব। এই জনআদালতের সার্বিক সুরক্ষা করা সকল নাগরিকের পবিত্র দায়িত্ব ও কর্তব্য। এটা কোন দলীয় বিষয় নয়।


নিজ কৃতকর্মের ফল সকলকেই ভোগ করতে হবে। রাজনীতিও তার উর্ধ্বে নয়। জনগণকে সাথে নিয়ে রাজনীতি করতে হলে মানতে হবে জনতার রায়। জনতার রায় যাতে প্রভাবমুক্ত হয় সেই জন্য অর্থাৎ একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানের দাবিতে চলমান সংলাপ শেষ হয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে ‘সংলাপ শেষ তবে আলোচনা চলতে পারে’। সরকারি দল মনে করে সংলাপ ইতিবাচক হয়েছে। দেশের শীর্ষ ব্যক্তি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সকলের সাথে সংলাপে অংশ নিয়ে ইতোমধ্যে ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন। বাইরে যে যাই বলুন, গণভবনের ভেতরে সংলাপ হয়েছে আন্তরিকতাপূর্ণ পরিবেশে। প্রধানমন্ত্রী আনুষ্ঠানিক এবং অনানুষ্ঠানিক উভয়ভাবেই সকলের কথা মন দিয়ে শুনেছেন এবং একটি সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানে সকলকে অংশগ্রহণের অনুরোধ জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থে ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’ নিশ্চিত করা হবে। মুক্তি দেয়া হবে রাজবন্দীদের।গত বুধবার ঐক্যফ্রন্ট এর সাথে সংলাপ শেষে সেতুমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘সাতদফার অধিকাংশ দাবিই সরকার মেনে নিয়েছেন। তবে সংবিধানের বাইরে গিয়ে সরকার কিছু করবে না।’ সংলাপ শেষ হলেও আলোচনার দ্বার খোলা থাকবে বলে সরকারি দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। যদিও জনগণ আশা করেছিল সংলাপ সফল হবে এবং দেশবাসী শুনবে নতুন আশার বাণী, খুলে যাবে বদ্ধ জানালার বাকি থাকা কপাটগুলো। হয়তো সরকারের ইতিবাচক সিদ্ধান্তে বদলে যাবে অনিশ্চিত রাজনীতির কালোমেঘ! কিন্তু জনগণের সে আশা পুরোপুরি পূরণ হয়নি।
রাজনীতিতে সৃষ্ট অনিশ্চয়তার কালো মেঘ না কাটতেই গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নূরুল হুদা জাতির উদ্দেশ্যে প্রদত্ত ভাষণের মাধ্যমে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছেন। তফসিল অনুযায়ী আগামী ২৩ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এই নির্বাচনে সকল রাজনৈতিক দল অংশ নেবে এবং নির্বাচন সুষ্ঠু হবে এই প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার। যদিও জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট এর মুখপাত্র ও বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর তাঁর প্রতিক্রিয়ায় বলেছেন, ‘ঘোষিত নির্বাচনী তফসিলে জনগণের আশা-আকাঙ্খার প্রতিফলন ঘটেনি বরং সরকারের ইচ্ছায় একতরফাভাবে তফসিল ঘোষণা করা হয়েছে’। অবিলম্বে খালেদা জিয়াসহ সকল রাজবন্দীদের মুক্তি দিয়ে অবিলম্বে ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’ নিশ্চিত করার জন্য তিনি সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

নির্বাচনের তারিখ ঘোষিত হয়েছে। সংঘাতের পথ ছেড়ে অধিকার আদায়ে আলোচনা অব্যাহত রাখার পাশাপাশি পূর্ণ শক্তি নিয়ে সকল মহলের নির্বাচনে ঝাঁপিয়ে পড়া উচিত। এক্ষেত্রে সরকারের দায় বেশি। হার্ডলাইনে থেকে সৃষ্ট রাজনৈতিক সংকট কাটবে না। হামলা-মামলা দিয়ে সাময়িকভাবে কাউকে দুর্বল করা গেলেও চূড়ান্তভাবে নিশ্চিহ্ন করা যায় না। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ নিজেই তার বড় প্রমাণ। ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যার মধ্য দিয়ে পরিবর্তিত রাজনীতিতে আওয়ামী লীগকে নিশ্চিহ্ন করবার সবরকম চেষ্টা হয়েছে। কিন্তু সেটা সফল হয় নি বরং আওয়ামী লীগ তিনবার ক্ষমতায়! সুতরাং রাজনীতিকে মোকাবেলা করতে হবে রাজনীতি দিয়েই, হামলা-মামলা দিয়ে নয়। খালেদা জিয়াকে জেলে ঢুকিয়ে জনমনে বিএনপির প্রতি সহানুভূতি আরও বাড়িয়েছে সরকার নিজেই। আসন্ন নির্বাচনে খালেদা জিয়াকে মুক্তি দেয়া না হলে তাতে আওয়ামী লীগ এর বিশেষ কোন লাভ হবে না বরং ক্ষতির সম্ভাবনাই বেশি বলে পর্যবেক্ষকদের ধারণা। ক্ষমতাসীন দল যেভাবে উন্নয়নের ঢোল বাজাচ্ছেন, সেটাই বরং তাঁদের বিজয়ের জন্য অনেকখানি সহায়তা করবে। মানুষের মধ্যে বিরাজমান উন্নয়ন আকাঙ্খার আলোকে স্থানীয় জনগণের প্রত্যাশার সাথে মিলিয়ে নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করে নিজেদের নৌকা বিজয়ের ঘাটে ভেড়াতে পারে দলটি। আসন্ন নির্বাচনী নৌকা বাইচে দেশের তরুণ ও নবীন ভোটারদেরকে সাথী করতে পারলে জেতার পথে গতি কয়েকগুণ বাড়ব্।

এটা ঠিক যে, সংলাপকালে সরকার বিরোধি দলসমূহের প্রতি আন্তরিকতা দেখিয়েছে। মন দিয়েছে শুনেছে সকলের দাবি। আশ্বাস দিয়েছে সংবিধানের ভেতরে থেকেই যতটুকু সম্ভব বিরোধি দলের দাবিগুলো মেনে নিয়ে তাদেরকে নির্বাচনে সমান সুযোগ দেয়ার। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে তাঁর কথার প্রমাণ দিতে হবে। জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নেতারা নির্বাচনে যেতে আগ্রহী। আজ বা আগামীকাল তাদের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানা যাবে। তাঁরা খালেদা জিয়াসহ সকল রাজবন্দীদের মুক্তি চায়। জনগণ আশা করে সরকার সেটা করবে। কিন্তু বৃহস্পতিবারে খালেদা জিয়াকে হাসপাতাল থেকে কারাগারে পাঠিয়ে দিয়ে সরকার উল্টো বার্তা দিয়েছে। রাজশাহীতে শুক্রবারে জনসভা করতে বাধা না দেয়া হলেও প্রকারান্তরে আন্তঃজেলা পরিবহন ধর্মঘট ডেকে অসহযোগিতা করা হয়েছে। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিষ্টার মওদুদ আহমেদ দাবি করেছেন, ‘সভা-সমাবেশে বাধা দেয়া হবে না - প্রধানমন্ত্রীর এমন আশ্বাসের পরেও মঙ্গলবার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের জনসভা থেকে ১১০০ নেতাকর্মিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে’। এই ঘটনাগুলো কোনভাবেই সরকারের আন্তরিকতা প্রকাশ করে না। সরকারকে তার কথা রাখতে হবে। তা না হলে ‘এই সরকারের কথার এক পয়সারও দাম নেই’ - বঙ্গবন্ধু’র সাবেক অন্যতম সহযোগী ডঃ কামাল হোসেন এর এই মন্তব্যই সত্য বলে প্রমাণিত হবে।

এটা বলার অপেক্ষা রাখে না যে, বাংলাদেশের রাজনীতিতে প্রধান দুটি দল আওয়ামী লীগ ও বিএনপি। ভোটের রাজনীতিতে নৌকা ও ধানের শীষ প্রতীক এর মধ্যেই হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবে। অন্য দলসমূহের কারও কারও আঞ্চলিক বা নিজ আসনে প্রভাব থাকলেও ভোটে জেতার জন্য এই দুই মার্কার কোন একটিকে বেছে নিতে হয়। তাই রাজনীতিতেও মূল হিসাব কষতে হবে এই দুই দলকেই। সঙ্গে থাকা অন্যদলের সাথীরা যতই আস্ফালন করুন না কেন বুঝতে হবে যে এককভাবে ভোটে জেতার সামর্থ্য তাদের অনেকেরই নেই। তাই ভোটের রাজনীতিতে মূল সিদ্ধান্ত এই দুই দলের নেতৃবৃন্দের কাছ থেকেই আসতে হবে। পরগাছা নেতারা আজ যতই গরম গরম আর উস্কানীমূলক বক্তব্য দিক না কেন রাজনীতি এগিয়ে নিতে হবে জনগণের আকাঙ্খাকে বিবেচনায় নিয়ে যারা জনগণের পালস্ বুঝবেন, ভোটের রাজনীতিতে জয়ী হওয়ার সম্ভাবনা তাদেরই বেশি। আর জনগণ কোনভাবেই সংঘাত বা অরাজকতা চায় না, তারা সুষ্ঠু ও অর্থবহ আলোচনা চায়, চায় শান্তি ও সমঝোতাপূর্ণ সমাধান।
নির্বাচনের ঢোল বেজেছে। এই নির্বাচন বর্জন না করে বরং ভেতরে ও বাইরে আন্দোলনের মতই নির্বাচন ও আলোচনা উভয় কৌশলেই রাজনীতিকে পরিচালিত করা আবশ্যক। সেটাই হবে সত্যিকারের গঠনমূলক রাজনীতি। ছাড় দেয়ার মানসিকতা ছাড়া বড় কিছু অর্জন করা যায় না। রাজনৈতিক দলগুলো যদি নিজেদের অবস্থানে অনড় থাকেন তাহলে হেরে যাবে বাংলাদেশ। সেটা নিশ্চয় তারা হতে দিতে চাইবেন না। অন্যথায় ‘দলের চেয়ে দেশ বড়’ বলাটা হবে এক নির্লজ্জ মিথ্যাকথন।

ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে ২৩ ডিসেম্বর। যুক্তফ্রন্ট এটা পিছিয়ে ৩০ ডিসেম্বর করার প্রস্তাব করেছেন। আলোচনার দরজা যেহেতু এখনও বন্ধ হয়নি এবং প্রধান নির্বাচন কমিশনার যেহেতু বলেছেন যে, সকল দল চাইলে নির্বাচনের তারিখ পেছানো যেতে পারে তাই সেই সম্ভাবনাকে বিবেচনায় রেখে একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থে সকলকে এগিয়ে যেতে হবে। ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী মনোনয়ন পত্র জমাদানের শেষ তারিখ ১৯ নভেম্বর। অর্থাৎ রাজনৈতিক দলসমূহের হাতে সময় আছে মাত্র ১০দিন। আওয়ামী লীগ এর জন্য এই সময় খুব কম না হলেও বিএনপি নেতৃত্বাধীন জাতীয় ঐক্যফ্র্ন্টসহ অন্যান্য অনেক দলের জন্য ১০দিনের মধ্যে সবকিছু গুছিয়ে আনাটা খুবই চ্যালেঞ্জিং। সকলের অংশগ্রহণে সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তারিখ এক সপ্তাহ পিছিয়ে দেয়ার পাশাপাশি মনোনয়ন জমাদানের তারিখও এক সপ্তাহ পিছিয়ে দিলে সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানের পথে সরকারের আন্তরিকতা আরেকবার প্রমাণিত হবে বলে আমার মনে হয়। বর্ধিত এই সময়টুকু কাজে লাগানো যায় ছোট পরিসরে কার্যকর আলোচনায়। সমাঝোতা হওয়া আবশ্যক। এতে উভয়েরই লাভ। নির্বাচন বর্জন করার মত বোকামী কিংবা ফাঁকা মাঠে গোল দেয়ার আহম্মকি কোনটাই জনগণের কাম্য নয়।

জাতি প্রত্যাশা করে সকলের অংশগ্রহণে একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন। নির্বাচন কমিশনকে সেটা করে দেখাতে হবে। ক্ষমতাসীন সরকারকে খুশী করা নির্বাচন কমিশনের লক্ষ্য হওয়া উচিত নয়। সকল দল চাইলে নির্বাচনের তারিখ পেছনো যেতে পারে বলে যে মন্তব্য গত সপ্তাহে প্রধান নির্বাচন কমিশনার করেছিলেন সেটা তিনি প্রমাণ করবেন বলে আমরা আশারাখি। আলোচনার পথে বাধা সৃষ্টি হয় এমন কোন বক্তব্য বা আচরণ আমরা নির্বাচন কমিশনের কাছে প্রত্যাশা করিনা। নির্বাচন কমিশন যেমন নির্বাচনে অংশগ্রহণকারীদের আচরণবিধি তৈরি করেছেন, ঠিক তেমনি জনগণের প্রত্যাশার আলোকে তাদেরও স্বপ্রণোদিত হয়ে নিজেদের জন্য একটি আচরণবিধি অনুসরণ করা দরকার। আমরা চাইনা নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের কোন অভিযোগ উঠুক। আলোচনার দ্বার খোলা থাকুক। ‘রাত যত গভীর, ভোর তত সন্নিকটে’ - সেই বিশ্বাস ও আস্থায় আমরা জনগণ একটি সুন্দর সকালের প্রহর গুণছি। জনগণের জন্য সংবিধান, সংবিধানের জন্য জনগণ নয়। তাই জনতার মঙ্গল হয়, দেশের কল্যাণ হয়, সুখী, সমৃদ্ধ, সোনার বাংলাদেশ গড়ার পথে বাধা দূর হয় তার জন্য যে কোন কঠিন সিদ্ধান্ত গ্রহণে সকল মহলের দৃঢ়তা কামনা করি। শান্তির পথে যাঁরা থাকবেন, জনতার হৃদয়ে তাঁদেরই ঠাঁই হবে, আর কারো নয়। আসন্ন নির্বাচন অনুষ্ঠানের আয়োজনকে প্রশ্নবিদ্ধ হতে না দেয়ার জন্য সকল মহলের আন্তরিকতা অপরিহার্য। তবে বড় যে হয়, দায় তার একটু বেশি, তাকেই বেশি ছাড়া দিতে হয়! শুভবুদ্ধির জয় হোক!
লেখক : সংগঠক-প্রাবন্ধিক
[email protected]
০১৭১১-৫২৬৯৭৯