কুড়িগ্রামের রৌমারী শুল্ক স্থলবন্দরে ৫ হাজার শ্রমিকের মানবেতর জীবন-যাপন

কুড়িগ্রামের রৌমারী শুল্ক স্থলবন্দরে ৫ হাজার শ্রমিকের মানবেতর জীবন-যাপন

রৌমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি : রৌমারী উপজেলার চর নতুন বন্দর শুল্ক স্থলবন্দর ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে সরকারের একটি আয়কর সীমান্ত স্থান। নেই কোন সরকারিভাবে আমদানিতে নজরদারী। দীর্ঘ ৯ মাস থেকে শুল্ক স্থলবন্দরে আমদানি বন্ধ থাকায় প্রায় ৫ হাজার শ্রমিক বেকার হয়ে মানবেতর জীবন-যাপন করছেন।

এনিয়ে উভয় দেশের দুই শতাধিক পাথর ব্যবসায়ীদের মধ্যে পাথরের মূল্য নিয়ে দফায় দফায় বৈঠক হলেও কোন সমাধান করতে পারেনি ব্যবসায়ী মহল। ব্যবসায়ী ও শ্রমিকেরা দ্রুত জোট ভেঙে আমদানি চালু করার দাবি প্রশাসনের কাছে।

আজ রোববার (৮ নভেম্বর) চর নতুন বন্দর শুল্ক স্থলবন্দর সরেজমিনে গিয়ে জানা গেছে, গত মার্চ মাসে পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে সরকারি ছুটি থাকায় শুল্ক স্থলবন্দরে আমদানি বন্ধ হয়ে যায়। স্থলবন্দরের একাধিক ব্যবসায়ীরা জানান, আমদানি বন্ধ হলেও পরবর্তীতে ডলার সংকট, ভারতে প্রবল বৃষ্টি ও বন্যার কারণে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন, ব্যবসায়ীদের মধ্যে অর্ন্তদ্বন্দ্ব, রাস্তায় চাঁদা আদায় ও পাথরের দাম বৃদ্ধিসহ নানা সমস্যায় ভারতের পক্ষ থেকে পাথর দেওয়া বন্ধ রাখে।

কাস্টমস সিএন্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মামুন মিয়া বলেন, গত প্রায় ৯ মাস যাবত আমদানি বন্ধ রয়েছে। আমদানির জন্য উভয় দেশের ব্যবসায়ীর মধ্যে সমঝোতার বৈঠক হয়েছে। কি কারণে আবার আমদানি হচ্ছে না।

লোড-আনলোড শ্রমিকলীগ সংগঠনের অফিল মিয়া জানান, পাথর আমদানি বন্ধ থাকায় হাজার হাজার নারী-পুরুষ শ্রমিক অসহায় হয়ে পড়েছে। তাছাড়া ব্যবসায়ীরাও ক্ষতির মুখে পড়ছেন। পাথর আমদানি চালু করতে উভয় দেশের কর্তৃপক্ষের কাছে জোর দাবি করছি।

রৌমারী শুল্ক গুদাম কর্মকর্তা, কাস্টমস ও ভ্যাট সার্কেল জিল্লুর রহমান বলেন, তিনি যোগদানের পর থেকে দেখছেন পাথর আমদানি বন্ধ রয়েছে। উভয় দেশের ব্যবসায়ীক সমস্যার কারণে আমদানি বন্ধ রয়েছে।

পোস্ট লিংক : https://karatoa.com.bd/article/190364