আন্তর্জাতিক সম্মাননা ভূষিত উপস্থাপিকা সুবর্ণা নওয়াদীর

আন্তর্জাতিক সম্মাননা ভূষিত উপস্থাপিকা সুবর্ণা নওয়াদীর

অভি মঈনুদ্দীন ঃ বাংলাদেশের ফ্যাশন অ্যাডুকেশনে প্রথম ডক্টরেট অর্জনকারী ড. সুবর্ণা নওয়াদীর এরই মধ্যে উপস্থাপানায়ও অনন্য রেকর্ড স্থাপন করেছেন তিনি। দীর্ঘ ২০ বছর ধরে তিনি উপস্থাপনা করে যাচ্ছেন। সম্প্রতি বাংলাদেশের শানমশা-মারিয়াম ইউনিভার্সিটি অব ক্রিপডটিভ টেকনোলজির সহকারী অধ্যাপক ড. সরকার সুবর্ণা নওয়াদীরর মালয়েশিয়ায় অনুষ্ঠিত ৪৩তম ক্লাস্টার অব অ্যাচিভার্স (ঈঙঅ) ইন্টারন্যাশনাল অ্যাওয়ার্ডস-এ সম্মানজনক আন্তর্জাতিক পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন।

বিশ্ব স্কুল সামিটের সঙ্গে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে ফ্যাশন শিল্প ও শিক্ষাক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তাঁকে শীর্ষক পুরস্কার প্রদান করা হয়। টেকসই ফ্যাশন ইকোসিস্টেম গড়ে তোলা, একাডেমিক গবেষণা এবং দক্ষিণ এশিয়ায় ডিজাইন শিক্ষার প্রসারে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে তাঁকে এ আন্তর্জাতিক সম্মাননা দেওয়া হয়েছে। মালয়েশিয়ার মাটিতে এই পুরস্কার অর্জন ড. সুবর্ণা নওয়াদীরের কাছে বিশেষ তাৎপর্য বহন করে। কারণ, দেশটিতেই অবস্থিত তাঁর পিএইচডি ডিগ্রি অর্জনের প্রতিষ্ঠান বাইনারি ইউনিভার্সিটি। তিনি সেখান থেকে ফ্যাশন ডিজাইন এডুকেশন বিষয়ে পিএইচডি সম্পন্ন করেন। এই অর্জন ড. সুবর্ণা নওয়াদীরের জন্য আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সাফল্য ও বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্বের ক্ষেত্রে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।

এদিকে ২০২৬ সালের জুলাই মাসে তিনি নিউইয়র্কের বিশ্বখ্যাত পারসন্স স্কুল অব ডিজাইনে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক উদ্যোক্তা সম্মেলনে  মূল বক্তা হিসেবে অংশগ্রহণ করেন এবং সেখানে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেন। শিক্ষা ও গবেষণায় উল্লেখযোগ্য অবদানের পাশাপাশি গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব হিসেবেও রয়েছে তাঁর সুদীর্ঘ পরিচিতি।

বিগত দুই দশকে তিনি ৭ হাজারেরও বেশি সরাসরি টেলিভিশন সম্প্রচারে অংশ নিয়ে অভিজ্ঞতার এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। এই সম্মাননা অর্জনে সুবর্ণা বলেন,‘ আমার পরিবারের প্রতি আমি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। বিশেষ করে আমার স্বামী ও দুই সন্তানের নিরবচ্ছিন্ন সহযোগিতা ও অনুপ্রেরণার কথা কৃতজ্ঞতার সাথে স্মরণ করি। পাশাপাশি আমার পথচলায় সহযোগিতার জন্য শিক্ষক, পরামর্শক, একাডেমিক সহকর্মী এবং বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার বিভিন্ন প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগীদের প্রতিও কৃতজ্ঞ।’

সুবর্ণা প্রথম স্বীকৃতি লাভ করেন ‘বাবিসাস’ থেকে ২০০৭ সালে। সুবর্ণার উপস্থাপনা শুরু হয় মাত্র সাড়ে চার বছরে বাংলাদেশ বেতারে। সেই হিসাবে বিগত ৩২ বছর ধরে উপস্থাপনা করে যাচ্ছেন। সাত বছর বয়স থেকে তিনি ইউনিসেফের অ্যাম্বাসেডর হিসেবে কাজ করেছেন টানা ১০ বছর। জাতীয় শিশু পুরস্কার, জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ, বিভিন্ন সংগীত ও বিতর্কসহ মোট ৯টি বিভাগে প্রথম এবং দুটি বিভাগে দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেছিলেন।

পোস্ট লিংক : https://karatoa.com.bd/article/190011