নীলফামারীর ডিমলায় মাল্টা-কমলার পাশাপাশি শসা চাষ, বছরে ৭ লাখ টাকা আয়
ডিমলা (নীলফামারী) প্রতিনিধি : নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার কৃষক মো. মনিরুজ্জামান একই উদ্যোগে মাল্টা, কমলা ও শসা চাষ করে সাফল্যের দৃষ্টান্ত গড়েছেন। মাল্টা-কমলার বাগানের পাশাপাশি মালচিং পদ্ধতিতে বছরে চার দফা শসা চাষ করে প্রায় ৬ থেকে ৭ লাখ টাকা আয় করছেন তিনি। আধুনিক সেচ প্রযুক্তি ও পরিকল্পিত বহুমুখী চাষাবাদে তার এ উদ্যোগ স্থানীয় কৃষিতে নতুন সম্ভাবনা তৈরি করেছে।
গতকাল রোববার মনিরুজ্জামানের কৃষি উদ্যোগ পরিদর্শন করেন ডিমলা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মীর হাসান আল বান্না ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. ইমরানুজ্জামান। তারা বাগানের মাল্টা-কমলার ফলন, মালচিং পদ্ধতিতে সবজি আবাদ এবং স্প্রিংকলার সেচ ব্যবস্থা ঘুরে দেখেন।
কৃষি উদ্যোগের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো একই জমিতে ফল ও সবজি উৎপাদনের সমন্বয়। মাল্টা ও কমলার বাগানের পাশাপাশি শসা ও বিভিন্ন মৌসুমি সবজি চাষ করে জমির বহুমুখী ব্যবহার নিশ্চিত করছেন মনিরুজ্জামান। এতে একাধিক ফসল থেকে আয়ের সুযোগ তৈরি হয়েছে। মালচিং পদ্ধতিতে গাছের গোড়ার মাটি ঢেকে রাখায় আর্দ্রতা ধরে রাখা, আগাছা নিয়ন্ত্রণ ও পরিচর্যার শ্রম কমানোর সুযোগ রয়েছে।
মনিরুজ্জামানের বাগানে উৎপাদিত মাল্টা প্রতি কেজি ৭০ থেকে ৮০ টাকা এবং কমলা প্রায় ১৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। শসা চাষ থেকে বছরে চার দফায় ৬ থেকে ৭ লাখ টাকা আয় হওয়ায় এটি তার কৃষি উদ্যোগের অন্যতম প্রধান আয়ের উৎস হয়ে উঠেছে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মীর হাসান আল বান্না ও ইউএনও মো. ইমরানুজ্জামান তার উদ্যোগের প্রশংসা করেন। তারা আধুনিক কৃষিপ্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানো এবং লাভজনক বহুমুখী চাষাবাদে অন্য কৃষকদেরও উদ্বুদ্ধ করার ওপর গুরুত্ব দেন।
পোস্ট লিংক : https://karatoa.com.bd/article/189637