টেকসই শিল্প ও ডিজিটাল উন্নয়নে বাংলাদেশ ব্যাংকের ১,০০০ কোটি টাকার ‘গ্রিন ইন্ডাস্ট্রি’ এবং ১,০০০ কোটি টাকার ‘তথ্যপ্রযুক্তি খাতের উন্নয়ন’ পুনঃঅর্থায়ন তহবিলের চুক্তি স্বাক্ষর করল এমটিবি
মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসি (এমটিবি), বাংলাদেশ ব্যাংক ঘোষিত ১,০০০ কোটি টাকার ‘গ্রিন ফ্যাক্টরি বিল্ডিং ও গ্রিন ইন্ডাস্ট্রি পুনঃঅর্থায়ন স্কিম’ এবং ১,০০০ কোটি টাকার ‘তথ্যপ্রযুক্তি (ICT) খাতের উন্নয়ন সংক্রান্ত পুনঃঅর্থায়ন স্কিম’-এর আওতায় বাংলাদেশ ব্যাংকের সাথে দুটি পৃথক অংশগ্রহণ চুক্তি স্বাক্ষর করেছে।
২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে বাংলাদেশ ব্যাংকে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে চুক্তি দুটি স্বাক্ষরিত হয়। মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী সৈয়দ মাহবুবুর রহমান এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের সাস্টেইনেবল ফাইন্যান্স ডিপার্টমেন্টের পরিচালক এ. কে. এম. নুরুন্নবী নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
‘গ্রিন ফ্যাক্টরি বিল্ডিং ও গ্রিন ইন্ডাস্ট্রি পুনঃঅর্থায়ন স্কিম’-এর আওতায় পরিবেশবান্ধব কারখানা নির্মাণ ও পরিবেশবান্ধব শিল্প প্রতিষ্ঠানের জন্য অর্থায়ন সুবিধা প্রদান করা হবে। শিল্প খাত যাতে পরিবেশগতভাবে টেকসই অবকাঠামো তৈরি এবং আরও কার্যকর উৎপাদন ব্যবস্থায় বিনিয়োগ করতে পারে, সে লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে, ‘তথ্যপ্রযুক্তি (ICT) খাতের উন্নয়ন সংক্রান্ত পুনঃঅর্থায়ন স্কিম’-এর মাধ্যমে আইসিটি-সংক্রান্ত কার্যক্রম এবং প্রযুক্তিভিত্তিক পণ্য ও সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে অর্থায়নের সুযোগ দেওয়া হবে। এই স্কিমের আওতায় সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট, ইন্টারনেট অব থিংস (IoT), হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্কিং, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI), ফিনটেক, ডেটা অ্যানালিটিক্স, সাইবার সিকিউরিটি, ক্লাউড কম্পিউটিং, রোবোটিক্স, ই-কমার্সসহ উদীয়মান প্রযুক্তি খাতসমূহকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসি-এর উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও গ্রুপ চিফ রিস্ক অফিসার, উসমান রাশেদ মুঈন এবং সাস্টেইনেবল ফাইন্যান্স ডিপার্টমেন্টের প্রধান, তাহমিনা জামান খানসহ বাংলাদেশ ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
এই দুই পুনঃঅর্থায়ন সুবিধার মাধ্যমে এমটিবি গ্রিন ইন্ডাস্ট্রি এবং তথ্যপ্রযুক্তি খাতের যোগ্য প্রতিষ্ঠানসমূহকে ঋণ সুবিধা প্রদান করবে। ফলে ব্যবসা-প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য পরিবেশবান্ধব অবকাঠামো নির্মাণ, সম্পদের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিতকরণ, নতুন প্রযুক্তি গ্রহণ এবং প্রযুক্তিভিত্তিক পণ্য ও সেবার প্রসারে এক নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হলো।
পোস্ট লিংক : https://karatoa.com.bd/article/188948