ঘূর্ণিঝড় অর্ণব’র কারণে বগুড়ায় মেঘ ডেকে বৃষ্টি

ঘূর্ণিঝড় অর্ণব’র কারণে বগুড়ায় মেঘ ডেকে বৃষ্টি

স্টাফ রিপোর্টার : ঘূর্ণিঝড় অর্ণব দুর্বল হয়ে পরার জন্য আঘাত করেনি বাংলাদেশে। সেটি বুধবার ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশে আছড়ে পড়ার পর ক্রমে দুর্বল হয়ে এখন লঘুচাপে পরিণত হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে আগামী পাঁচ দিন দেশের বিভিন্ন বিভাগে দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি এবং তাপমাত্রা কমতে পারে বলে আবহাওয়া অধিদফতরের পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়। গতকাল বুধবার বগুড়ায় ৬  দশমিক ২ মিলিমিটার  বৃষ্পিাত রেকর্ড করা হয়েছে। কার্তিকের এই বৃষ্টি ফসলের জন্য আশিবাদ মনে করছেন কৃষক। 

বিকেল ৪টা নাগাদ আকাশ ঢেকে যায় কালো মেঘে। বগুড়া আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, সাড়ে ৪টা নাগাদ শুরু হয় বৃষ্টি। বিকেল সোয়া ৫টা পর্যন্ত চলে এই বৃষ্টি। বৃষ্টিতে শহরের রাস্তাঘাট কাদা পানিতে সয়লাব হয়ে পড়ে। হঠাৎ করে নামা বৃষ্টির কারণে দেখা দেয় যানজট। সকালে আলাঝলমেলে দিন দেখে যারা বের হয়েছিলেন তারা দিনশেষে বিকেলে ঘরে ফেরার সময় পড়েন বিপদে। এসময়  যান বাহনে  বৃষ্টি প্রতিরোধী ব্যবস্থা না থাকায় তারা নিজেরা আশ্রয় নেন  বড় কোন বিল্ডিংয়ের  নিচে ও বিভিন্ন মার্কেটের সামনের খোলা জায়গাতে। তবে অন্য যানবাহনগুলো বেশি ভাড়া  দাবি করে বলে অভিযোগ  ভ’ক্তভোগীদের । 

আবহাওয়া অধিদফতর জানায়, আগামী শনিবার পর্যন্ত লঘুচাপের কারণে পাঁচদিন রাজশাহী, রংপুর, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের দুয়েক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেইসঙ্গে পাবনা, সিরাজগঞ্জ, কুমিল্লা, চাঁদপুর, ফেনী, লক্ষ্মীপুর, ভোলা ও বরিশাল জেলাসহ ঢাকা, খুলনা, ময়মনসিংহ এবং সিলেট বিভাগের উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া মৃদু তাপপ্রবাহ প্রশমিত হতে পারে এবং সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। এছাড়া আগামী পাঁচদিন পর সারাদেশে তাপমাত্রা কমতে পারে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।
ঘূর্ণিঝড় অর্ণবের প্রভাবে গত বুধবার বিকেলে শুরু হয় বৃষ্টি। কার্তিকের এই বৃষ্টি  চলমান আবহাওযায় আশীর্বাদ বলে মনে করছেন কৃষক। গত প্রায় এক মাসেরও বেশি সময় ধরে বয়ে যাওয়া বৃষ্টিহীন আবহাওয়ায় ধানের জমিতে সেচ দিতে হচ্ছে। সবজির  ক্ষেতেও  পানি দিতে হচ্ছে সকাল-বিকেল।  এই অবস্থায় এই বৃষ্টি ফসলের জন্য আর্শিবাদ বলে মনে করছেন বগুড়ার শহরতলীর কৈচর এলাকার  কৃষক ইর্বাহিম  হোসেন। 

পোস্ট লিংক : https://karatoa.com.bd/article/188936