কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালকে ১ হাজার শয্যায় উন্নীত করা হবে: কৃষিমন্ত্রী
কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে শয্যাসংখ্যা বাড়িয়ে ১ হাজারে উন্নীত করার উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ ইয়াছিন। একই সঙ্গে হাসপাতালের বিদ্যমান সমস্যাগুলো সমাধান এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সরঞ্জাম সরবরাহে সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালানোর আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।
আজ শনিবার (১০ অক্টোবর) কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নতুন অডিটোরিয়ামে ইন্টার্ন সমাপনী অনুষ্ঠান (কুম-২৯) ও চিকিৎসকদের পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, মেডিকেল কলেজের প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি সরবরাহে সরকার অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কাজ করছে। কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জন্য প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সরঞ্জাম বরাদ্দের বিষয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করা হবে।
সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসা সরঞ্জামের যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণের ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, যন্ত্রপাতি যেন অবহেলা ও অযত্নে দ্রুত নষ্ট না হয়, সেদিকে সংশ্লিষ্টদের নজর দিতে হবে। সরকারি মেডিকেল কলেজের যন্ত্রপাতিও নির্ধারিত কার্যকাল পর্যন্ত সচল রাখার ব্যবস্থা নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
চিকিৎসকদের রোগীদের প্রতি আরও আন্তরিক ও মানবিক হওয়ার আহ্বান জানিয়ে আমিন উর রশিদ বলেন, রোগীরা চিকিৎসকের কাছে এসে তাঁদের শারীরিক সমস্যার কথা মনোযোগ দিয়ে শোনার এবং প্রয়োজনীয় পরামর্শ পাওয়ার প্রত্যাশা করেন। রোগীকে পর্যাপ্ত সময় দেওয়া ও তাঁর সমস্যাগুলো গুরুত্বের সঙ্গে শোনার মাধ্যমে চিকিৎসকের প্রতি আস্থা তৈরি হয়। চিকিৎসার পাশাপাশি রোগীর সঙ্গে মানবিক আচরণও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
স্বাস্থ্য সুরক্ষায় নিরাপদ খাদ্য ও পরিবেশের গুরুত্ব তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, পরিবেশদূষণ ও খাদ্যের গুণগত মান মানুষের স্বাস্থ্যের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করা এবং ক্ষতিকর কীটনাশকের ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে সরকার কাজ করছে। এ ক্ষেত্রে পর্যায়ক্রমে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, ওষুধের প্রয়োজনীয়তা থাকলেও সঠিক খাদ্যাভ্যাস ও স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের মাধ্যমে অনেক রোগের ঝুঁকি কমানো সম্ভব। এ বিষয়ে চিকিৎসকদের সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়াতে ভূমিকা রাখতে হবে।
অনুষ্ঠানে কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. ইউসুফ মোল্লা টিপু, কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মো. মাছুম হাছান, সাবেক অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মোসলেহ উদ্দিন আহমেদ, বিএমএ কুমিল্লার সাবেক সভাপতি ডা. ইকবাল আনোয়ারসহ কলেজের বিভিন্ন পর্যায়ের চিকিৎসক ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
পোস্ট লিংক : https://karatoa.com.bd/article/186869