আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে সুযোগ কাজে লাগাতে নার্সদের ভাষাগত দক্ষতা বাড়ানোর আহ্বান

আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে সুযোগ কাজে লাগাতে নার্সদের ভাষাগত দক্ষতা বাড়ানোর আহ্বান

আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে বাংলাদেশের নার্সদের কর্মসংস্থানের বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে। তবে ইংরেজি ভাষায় দক্ষতার ঘাটতির কারণে অনেকেই বিদেশে বিদ্যমান কর্মসংস্থানের সুযোগ কাজে লাগাতে পারছেন না। পেশাগত দক্ষতার পাশাপাশি ভাষাগত দক্ষতা বাড়ানোর মাধ্যমে এ সুযোগ কাজে লাগাতে নার্সদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের চেয়ারম্যান ও সিইও আহসান খান চৌধুরী।

বুধবার রাজধানীর বাড্ডায় প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের প্রধান কার্যালয়ে আমজাদ খান চৌধুরী নার্সিং কলেজের প্রথম ব্যাচের উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি এ আহ্বান জানান। অনুষ্ঠানে ২০২১-২০২২ শিক্ষাবর্ষের বিএসসি ইন নার্সিং এবং ডিপ্লোমা ইন নার্সিং সায়েন্স অ্যান্ড মিডওয়াইফারি কোর্সের উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দেওয়া হয়।

শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানিয়ে আহসান খান চৌধুরী বলেন, “দেশের হাসপাতালগুলোতে দক্ষ নার্সের চাহিদা যেমন রয়েছে, তেমনি আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও দিন দিন এ পেশার চাহিদা বাড়ছে। শুধু প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষায় সীমাবদ্ধ না থেকে মানবসেবার মানসিকতা নিয়ে নার্সদের নিজেদের আরও দক্ষ করে গড়ে তুলতে হবে। রোগীকে পরিবারের একজন সদস্যের মতো আন্তরিকতা ও যত্নের সঙ্গে সেবা দেওয়ার মাধ্যমে মানুষের আস্থা ও ভালোবাসা অর্জন করতে হবে।”

তিনি আরও বলেন, “পেশাগত দক্ষতার পাশাপাশি ইংরেজি ভাষায় দক্ষতা বাড়ানো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভাষাগত দক্ষতা উন্নত করতে পারলে আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে বাংলাদেশি নার্সদের জন্য আরও বড় সুযোগ তৈরি হবে। শিক্ষার্থীদের এখন থেকেই নিজেদের সে অনুযায়ী প্রস্তুত করতে হবে।”

২০২১-২২ সেশনে বিএসসি ইন নার্সিং এবং ডিপ্লোমা ইন নার্সিং কোর্সের প্রথম ব্যাচে শতভাগ শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছেন।

সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে আমজাদ খান চৌধুরী নার্সিং কলেজের চেয়ারম্যান উজমা চৌধুরী এবং স্টুডেন্ট কাউন্সেলর মহুয়া আলীসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

রাজশাহী ও নাটোর অঞ্চলে স্বাস্থ্য খাতের জন্য দক্ষ জনবল গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়ে ২০২০ সালে যাত্রা শুরু করে আমজাদ খান চৌধুরী নার্সিং কলেজ। কলেজটিতে অভিজ্ঞ শিক্ষকবৃন্দ, আধুনিক ল্যাবরেটরি সুবিধা এবং নিজস্ব মানসম্মত হাসপাতালে হাতে-কলমে প্রশিক্ষণের সুযোগ রয়েছে। শিক্ষার্থীদের জন্য রয়েছে বিস্তৃত ক্যাম্পাস ও স্বল্প খরচে আবাসন সুবিধা।

বর্তমানে কলেজটিতে বিএসসি ইন নার্সিং, ডিপ্লোমা ইন নার্সিং সায়েন্স অ্যান্ড মিডওয়াইফারি এবং ডিপ্লোমা ইন মিডওয়াইফারি এই তিনটি কোর্সে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। বাংলাদেশ নার্সিং কাউন্সিলের নির্ধারিত সিলেবাস অনুযায়ী এখানে পাঠদান করা হয়। কলেজটি রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত।

পোস্ট লিংক : https://karatoa.com.bd/article/186497