বগুড়ার ধুনট থানায় ৮ চোরকে দেখতে আসা দুই বন্ধু চুরি মামলায় শোন অ্যারেস্ট
ধুনট (বগুড়া) প্রতিনিধি : ধুনট থানায় আন্তঃজেলা চোরচক্রের ৮ সদস্যর সঙ্গে দেখা করতে এসে পুলিশের হাতে আটক দুই বন্ধুকে মাসুদ টেলিকম নামে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে চুরি মামলায় শোন-অ্যারেস্ট দেখানো হয়েছে। শোন-অ্যারেস্ট দেখানো আসামিরা হলেন, কুমিল্লা জেলার মুরাদপুর উপজেলার দুলারামপুর গ্রামের মফিজুল ইসলামের ছেলে মোহাম্মাদ মোস্তফা (৪০) ও তার বন্ধু কেমতলী গ্রামের ধনু চৌধুরীর ছেলে বাবুল চৌধুরী (৪৮)।
থানা সূত্রে জানা যায়, ধুনট শহরের ইছামতী ডিজিটাল কমপ্লেক্স মার্কেটের প্রথম তলায় মাসুদ টেলিকম নামের একটি দোকানে ৩০ সেপ্টেম্বর সকাল ৮টার দিকে চুরির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার ৩ ঘণ্টা পর অভিযান চালিয়ে ৮ চোরকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন- চট্টগ্রাম শহরের আল আমিন (৩০), আক্কাস আলী (৩৫) ও হৃদয় (৩৪), নরসিংদীর ইমরান (৩০), ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ইয়াছিন আরাফাত (৩৮) এবং কুমিল্লার রবিউল ইসলাম (৩৩), আলা উদ্দিন (২৫) ও ইস্রাফিল রহমান (২৭)। তারা আন্তঃজেলা চোরচক্রের সক্রিয় সদস্য।
এ সময় ওই দোকান থেকে চুরি হওয়া ৯৪টি অ্যান্ড্রয়েড মুঠোফোন তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়, যার আনুমানিক বাজারমূল্য ৩৫ লাখ টাকা। এ ঘটনায় মাসুদ টেলিকম নামে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মালিক মাসুদ রানা বাদি হয়ে ধুনট থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। গ্রেফতারকৃত ৮ চোরের সঙ্গে ৩০ সেপ্টেম্বর রাতে থানায় দেখা করতে আসেন মোস্তফা ও বাবুল চৌধুরী।
এসময় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাদের আটক করা হয়। পরে ২ অক্টোবর দুপুরে ১৫১ ধারায় ধুনট থানা থেকে আদালতের মাধ্যমে তাদের বগুড়া জেলা কারাগারে পাঠানো হয়। একই সঙ্গে মোস্তফা ও বাবুলকে মাসুদ টেলিকম নামে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে চুরি মামলায় শোন-অ্যারেস্টের জন্য আদালতে আবেদন করেন। পরে আদালতের আদেশে তাদের শোন-অ্যারেস্ট দেখানো হয়েছে।
বর্তমানে আন্তাঃজেলা চোরচক্রের ৮ সদস্যর সঙ্গে মোস্তফা ও বাবুল চৌধুরী বগুড়া কারাগারে রয়েছে। ধুনট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুল ইসলাম বলেন, মাসুদ টেলিকম নামে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে চুরি মামলাটি তদন্তকালে মোস্তফা ও বাবুল চৌধূরীর সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে। এ কারণে আদালতের আদেশে মোস্তফা ও বাবুল চৌধুরীকে মাসুদ টেলিকম নামে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে চুরি মামলায় শোন-অ্যারেস্ট দেখানো হয়েছে।
পোস্ট লিংক : https://karatoa.com.bd/article/186418