‘শেখ হাসিনার বাংলাদেশ’ লেখা ব্যানারে শিক্ষক দিবস পালন, প্রধান শিক্ষক আটক

‘শেখ হাসিনার বাংলাদেশ’ লেখা ব্যানারে শিক্ষক দিবস পালন, প্রধান শিক্ষক আটক

মানিকগঞ্জের সাটুরিয়ার তিল্লি উচ্চ বিদ্যালয়ে বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষ্যে আয়োজিত র‍্যালিতে ‘শিক্ষা নিয়ে গড়ব দেশ, শেখ হাসিনার বাংলাদেশ’ লেখা ব্যানার ব্যবহারের অভিযোগে প্রধান শিক্ষক আবুল হাশেম ভূঁইয়াকে ব্যানারসহ গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

সোমবার (৫ অক্টোবর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার তিল্লি ইউনিয়নের তিল্লি বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পরে বিদ্যালয় মাঠে আলোচনা সভাও অনুষ্ঠিত হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন, সাটুরিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মোশাররফ হোসেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষ্যে তিল্লি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবুল হাশেম ভূঁইয়ার উদ্যোগে বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের নিয়ে একটি র‍্যালির আয়োজন করা হয়। র‍্যালিটি বিদ্যালয় থেকে বের হয়ে তিল্লি বাজারের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। এ সময় র‍্যালিতে একটি ব্যানার বহন করা হয়। ব্যানারে লেখা ছিল, ‘শিক্ষা নিয়ে গড়ব দেশ, শেখ হাসিনার বাংলাদেশ’।

র‍্যালি শেষে তিল্লি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। বিষয়টি স্থানীয় লোকজনের নজরে এলে তারা সাটুরিয়া থানা-পুলিশকে জানান।

খবর পেয়ে সাটুরিয়া থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। পরে পুলিশ ব্যানারটি জব্দ করে এবং প্রধান শিক্ষক আবুল হাশেম ভূঁইয়াকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।

পুলিশের তথ্যমতে, আটক আবুল হাশেম ভূঁইয়া (৪৮) দৌলতপুর উপজেলার কুনিয়া ইউনিয়নের বাসিন্দা। তার বাবার নাম মৃত ফুলতান ভূঁইয়া।

পুলিশের দাবি, তিনি দৌলতপুর থানাধীন কুনিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহসভাপতি হিসেবে দলীয় রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত।

স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা বলেন, বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষ্যে বিদ্যালয়ে র‍্যালি ও আলোচনা সভা আয়োজন নিয়ে তাদের আপত্তি ছিল না। তবে র‍্যালিতে ব্যবহৃত ব্যানারে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নাম থাকায় বিষয়টি নিয়ে তাদের মধ্যে আলোচনা শুরু হয়। পরে তারা পুলিশকে বিষয়টি জানান।

সাটুরিয়া সাটুরিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মো. মোশাররফ হোসেন বলেন, তিল্লি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে রাজনৈতিক মামলায় গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন। 

পোস্ট লিংক : https://karatoa.com.bd/article/186272