পাবনার ডেমড়া-আতাইকুলা আঞ্চলিক সড়কের বেহাল অবস্থা, ভোগান্তিতে ১০ লাখের বেশি মানুষ
ফরিদপুর (পাবনা) প্রতিনিধি : দীর্ঘদিন সংস্কার না করায় ফরিদপুরের ডেমড়া থেকে সাঁথিয়া ও পাবনা সদরের আতাইকুলা আঞ্চলিক সড়কটি এখন মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে। সাড়ে ১৫ কিলোমিটার এ সড়কটি এখন পাবনার ফরিদপুর, সাঁথিয়া এবং পাবনা সদর উপজেলার জনগণের ভোগান্তির সবচেয়ে বড় কারণ। খানাখন্দ ও বিশাল আকৃতির গর্তে ভরপুর এই সড়কে প্রতিনিয়তই দুর্ঘটনা ঘটছে।
স্বাভাবিক চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে তিন উপজেলার ১০ লক্ষাধিক মানুষের। স্কুল-কলেজ শিক্ষার্থী, কৃষক, দিনমজুর, সিএনজি, ভ্যান, হোন্ডা, অটোরিকশা, বাসচালক, চাকরিজীবীসহ সকল শ্রেণি পেশার মানুষকে পড়তে হচ্ছে বিড়ম্বনায়।
কৃষি পণ্য সরবরাহ, অসুস্থ রোগীকে হাসপাতালে নেওয়া, জেলা শহরে যাতায়াতে ভোগান্তিসহ সকল শ্রেণি পেশার মানুষের দৈনন্দিন চলাফেরায় নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে সড়কটির ভঙ্গুর অবস্থার কারণে। দেশের স্বনামধন্য কাপড়ের শাহজাদপুর ও আতাইকুলা হাটের ব্যবসায়ীদের যাতায়াত ও পণ্য আনা-নেওয়ার বড় রুট এ আঞ্চলিক সড়কটি। দীর্ঘদিনেও সড়কটি মেরামত না হওয়ায় প্রতিদিনই দুর্ঘটনা ঘটছে।
ডেমড়ার বৃকালিয়ানী গ্রামের কৃষক আলম হোসেন বলেন, এ সড়ক চলাচলের অযোগ্য হওয়ায় কৃষিপণ্য ধুলাউড়ি হাটে বিক্রির জন্য নিতে না পেরে অনেক ঘুরে বেড়া হাটে নিতে অনেক খরচ হচ্ছে। ফরিদপুরের সিএনজি চালক আবুল হোসেন বলেন, প্রায় মাস খানেক আগে একটি গর্ত থেকে উঠে সামনের আরেকটি গর্ত বুঝতে না পারায় আমার সিএনজি কাত হয়ে পড়ে আমিসহ যাত্রিরা আহত হই। এতে যাত্রীদের চিকিৎসার জন্য ১০ হাজার টাকা দিতে হয়।
এ ব্যাপারে পাবনা এলজিইডি’র নির্বাহী প্রকৌশলী মনিরুল ইসলাম বলেন, অফিসের তথ্য অনুযায়ী গুরুত্বপূর্ণ এ সড়কটি সর্বশেষ ৭ বছর আগে প্রায় ১০ কোটি টাকা ব্যয়ে সংস্কার করা হয়। ৪ বছর সড়ক দিয়ে জনগণ ভালভাবে চলাচল করতে পারলেও গত প্রায় ৩ বছরে খানাখন্দ ও বিশালাকৃতির গর্তের কারণে মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে সড়কটি। তিনি বলেন, ফরিদপুর ও সাঁথিয়া এলাকার ২ এমপির সুপারিশ নিয়ে সড়কটি সংস্কারের জন্য সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। অর্থ বরাদ্দ এলেই দ্রুত কাজ শুরু করা হবে।
পোস্ট লিংক : https://karatoa.com.bd/article/186158