নাটোরের বড়াইগ্রামে পাখি আটক শিকারির জরিমানা
বড়াইগ্রাম (নাটোর) প্রতিনিধি : নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার পাখি নিধন ও জীবিত পাখি বাড়িতে আটকে রাখার অপরাধে পাখি শিকারি ইমরান আলীকে জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। গত রোববার বিকেল ৫টার দিকে উপজেলার তিরাইল গ্রামে এ ঘটনাটি ঘটে। অভিযুক্ত পাখি শিকারি ইমরান আলী ওই গ্রামের তাজউদ্দিন মাস্টারের ছেলে। তিনি পেশায় একজন ফিড ব্যবসায়ী।
এলাকাবাসী জানায়, তিরাইল গ্রামে একই স্থানে শত বিঘা এলাকা জুড়ে বড় বড় আম, মেহগনি, বাঁশ, তেতুল গাছের সমারোহে বিশাল ঝাড়-জঙ্গল রয়েছে। সেখানকার গাছের উঁচু ডালে শামুলখোল পাখিদের দীর্ঘদিনের বসবাস। গত রোববার বিকেলে ইমরান আলীসহ চারজন মেহেগুনি গাছ থেকে অন্ততঃ ২০/২৫টি শামুলখোল পাখি শিকার করে।
খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে বন বিভাগের কর্মকর্তা জীবিত ও জবাই করা অন্ততঃ ৯টি পাখি উদ্ধার করে। প্রতিটি পাখির ওজন আনুমানিক ৫/৬ কেজি। বড়াইগ্রাম উপজেলা বন কর্মকর্তা নসরত জামান মৃধা জানান, অভিযুক্ত ইমরানের বাড়িতে গিয়ে ৩টি শামুলখোল পাখি জবাই করা অবস্থায় ও বন্দিবস্থা থেকে উদ্ধার করা হয় আরও ৬টি পাখি। এর মধ্যে একটি পাখির ডানা ভাঙা ছিল।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার লায়লা জান্নাতুল ফেরদৌস জানান, উপজেলার ক্ষিদ্রি আটাই পাঙ্গির দীঘিতে অবস্থিত পাখির অভয়ারণ্যে জীবিত পাখিগুলো ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। মাটিতে পুঁতে দেওয়া হয়েছে জবাই করা তিনটি পাখি। অভিযুক্তকে এক হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
পোস্ট লিংক : https://karatoa.com.bd/article/185520