গণপতি চক্রবর্তী হত্যা মামলার তদন্তে ৩৫ আলামত, ডিএনএ পরীক্ষার অপেক্ষা

গণপতি চক্রবর্তী হত্যা মামলার তদন্তে ৩৫ আলামত, ডিএনএ পরীক্ষার অপেক্ষা

রংপুর প্রতিনিধি: চাঞ্চল্যকর গণপতি চক্রবর্তী হত্যা মামলার তদন্ত অত্যন্ত সতর্কতার সাথে এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন রংপুর মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) উপ-পুলিশ কমিশনার সনাতন চক্রবর্তী। হত্যাকান্ডের ঘটনাস্থল থেকে সংগ্রহ করা ৩৫টি আলামত ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। একইসাথে মামলায় গ্রেফতার দুই আসামি মুগ্ধ ও সিদ্ধার্থের ডিএনএ নমুনার সাথে ঘটনাস্থল থেকে সংগৃহীত আলামতের ডিএনএ ক্রস চেক করা হবে।

উপ-পুলিশ কমিশনার সনাতন চক্রবর্তী বলেন, ডিএনএ পরীক্ষার ফলাফল পাওয়ার ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট সময়সীমা বলা সম্ভব নয়। পরীক্ষার প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পরই এর ফলাফল পাওয়া যাবে। তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, হত্যাকান্ডের পর ঘটনাস্থল থেকে বিভিন্ন ধরণের আলামত সংগ্রহ করা হয়।

এসব আলামত যথাযথ প্রক্রিয়ায় ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। তদন্তের অন্যান্য দিকের পাশাপাশি এসব বৈজ্ঞানিক পরীক্ষার ফলাফলকে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে। আলামত ও আসামিদের ডিএনএর মধ্যে কোনো মিল পাওয়া যায় কি না, তা পরীক্ষার পরই স্পষ্ট হবে।

এদিকে মামলায় গ্রেফতারকৃত সিদ্ধার্থের পরিবারের পক্ষ থেকেও তার সাথে কারাগারে দেখা করতে না পারার অভিযোগ পাওয়া গেছে। সিদ্ধার্থের মা পুষ্পরাণী দাস বলেন, গ্রেফতার হওয়ার পর সিদ্ধার্থকে জেলখানায় দেখতে গিয়েছিলাম। কিন্তু দেখতে দেওয়া হয়নি। এ ঘটনায় তিনি উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠার মধ্যে রয়েছেন।

এব্যাপারে রংপুর কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার এ.এস.এম কামরুল হুদার জানান, যদি ডিউ থাকে তা হলে দেখা করতে পারবে আর ডিউ না থাকলে দেখা করতে পারবে না। তিনি বিষয়টি দেখবেন। তদন্ত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, চাঞ্চল্যকর এ হত্যাকান্ডের রহস্য উদঘাটনে বৈজ্ঞানিক প্রমাণকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। ফরেনসিক পরীক্ষার ফলাফল এবং ডিএনএ মিলের রিপোর্ট তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তবে এসব পরীক্ষার ফলাফল হাতে না পাওয়া পর্যন্ত এ বিষয়ে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে চাইছে না তদন্তকারী সংস্থা।

পোস্ট লিংক : https://karatoa.com.bd/article/185184