সিএমএসএমই উদ্যোক্তাদের চলতি মূলধন যোগাতে বাংলাদেশ ব্যাংকের পুনঃঅর্থায়ন তহবিলে অংশ নিয়েছে ব্র্যাক ব্যাংক
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬: দেশের কুটির, মাইক্রো, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প (সিএমএসএমই) খাতে ৫,০০০ কোটি টাকার চলতি মূলধন পুনঃঅর্থায়ন তহবিল থেকে কম ইন্টারেস্টে ও সহজ শর্তে ঋণ বিতরণ করতে বাংলাদেশ ব্যাংক ও ব্র্যাক ব্যাংকের মধ্যে অংশগ্রহণমূলক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।
গত ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে এই চুক্তিতে ব্র্যাক ব্যাংকের পক্ষে স্বাক্ষর করেন ম্যানেজিং ডিরেক্টর অ্যান্ড সিইও তারেক রেফাত উল্লাহ খান এবং ব্যাংকের পক্ষে চুক্তিপত্রটি হস্তান্তর ও গ্রহণ করেন অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডিরেক্টর অ্যান্ড হেড অব এসএমই ব্যাংকিং সৈয়দ আব্দুল মোমেন। বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষে স্বাক্ষর করেন প্রতিষ্ঠানটির এসএমই এন্ড স্পেশাল প্রোগ্রামস বিভাগের পরিচালক মোঃ জবদুল ইসলাম।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর মোঃ আনিছুর রহমান। এছাড়াও এতে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক নাহিদ রহমান এবং অতিরিক্ত পরিচালক শাহানাজ পারভীন।
বাংলাদেশ ব্যাংক ঘোষিত ৬০,০০০ (ষাট হাজার) কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজের আওতায় সিএমএসএমই খাতে প্রয়োজনীয় চলতি মূলধন ঋণ বা বিনিয়োগ সরবরাহের মাধ্যমে উদ্যোক্তাদের পূর্ণ সক্ষমতায় উৎপাদন, সেবা ও ব্যবসা কার্যক্রম পরিচালনায় সক্ষমতা বৃদ্ধি করা হবে। একইসঙ্গে দেশে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে মন্থর অর্থনীতির চাকা গতিশীল করাই এ তহবিলের লক্ষ্য।
এ তহবিলের আওতায় সাধারণভাবে সচল সিএমএসএমই প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে প্রয়োজনীয় চলতি মূলধন এর অভাবে পূর্ণ সক্ষমতায় উৎপাদন, সেবা ও ব্যবসা কার্যক্রম পরিচালনা করতে অক্ষম প্রতিষ্ঠানগুলোকে অর্থায়ন করা হবে। এই তহবিলের আওতায় যোগ্য সিএমএসএমই প্রতিষ্ঠান মাত্র ৯ শতাংশ ইন্টারেস্টে অর্থায়ন সুবিধা গ্রহণ করতে পারবে।
ব্র্যাক ব্যাংকের ম্যানেজিং ডিরেক্টর অ্যান্ড সিইও তারেক রেফাত উল্লাহ খান বলেন, “স্যার ফজলে হাসান আবেদ ব্র্যাক ব্যাংক প্রতিষ্ঠা করেছিলেন দেশের সিএমএসএমই উদ্যোক্তাদের অর্থায়ন সমস্যার সমাধান করতে। সে লক্ষ্যেই আমরা এগিয়ে যাচ্ছি। এখন পর্যন্ত আমরা ২০ লাখের বেশি সিএমএসএমই উদ্যোক্তাদের অর্থায়ন করেছি এবং দুই কোটির বেশি কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ ভূমিকা রেখেছি। এই উদ্যোক্তাদের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের চলতি মূলধন পুনঃঅর্থায়ন তহবিল থেকে পাওয়া অর্থায়ন সুবিধা তাদের ব্যবসাকে আরো সম্প্রসারণ করে দেশের অর্থনীতির গতিশীলতা বাড়াবে। একইসঙ্গে সিএমএসএমই উদ্যোক্তাদের কীভাবে আরো বেশি অর্থায়ন করা যায়, সেটিও আমাদের ভাবতে হবে।“
পোস্ট লিংক : https://karatoa.com.bd/article/184068