বাংলাবান্ধা-পঞ্চগড় মহাসড়কের দু’ধারে বালুর স্তুপ, বাড়ছে জনদুর্ভোগ

বাংলাবান্ধা-পঞ্চগড় মহাসড়কের দু’ধারে বালুর স্তুপ, বাড়ছে জনদুর্ভোগ

তেঁতুলিয়া (পঞ্চগড়) প্রতিনিধি: পঞ্চগড়ের বাংলাবান্ধা-পঞ্চগড় ৬০ কিলোমিটার মহাসড়কের দু’ধারে দীর্ঘদিন জমা করে রাখা হয়েছে বালু-পাথরের স্তুপ। হাইওয়ে পুলিশের সামনেই হচ্ছে সড়কের উপর বালু-পাথর লোড-আনলোড। এতে দিনদিন সংকুচিত হয়ে পড়ছে গুরুত্বপূর্ণ এ মহাসড়ক। ফলে যান চলাচলে তৈরি হচ্ছে প্রতিবন্ধকতা। বাড়ছে জনদুর্ভোগ ও দুর্ঘটনা।

দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্থলবন্দর বাংলাবান্ধার সাথে পঞ্চগড়সহ সারাদেশের যোগাযোগের প্রধান মাধ্যম এ মহাসড়ক। প্রতিদিন এই সড়ক দিয়ে চলাচল করে ছোট-বড় অসংখ্য যানবাহন। কিন্তু মহাসড়কের দু’ধারে ব্যবসায়ীরা দীর্ঘদিন বালু-পাথর স্তুপ করে রাখায় কমে যাচ্ছে সড়কের প্রশস্ত।

ফলে স্বাভাবিকভাবে যান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। বিশেষ করে ট্রাক ও ভারী যানবাহন চলাচলের সময় তৈরি হচ্ছে বাড়তি ঝুঁকি। একদিকে সড়কের পাশে বালুর স্তুপ, অন্যদিকে দ্রুতগতির যানবাহন। ফলে পথচারী, শিক্ষার্থী ও ছোট যানবাহনগুলোকে অনেকটা ঝুঁকি নিয়েই চলাচল করতে হচ্ছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, মহাসড়কের পাশে এভাবে বালু-পাথর রাখা হলেও কার্যকর ব্যবস্থা না থাকায় দিন দিন পরিস্থিতি আরও জটিল হচ্ছে। এতে যান চলাচলে প্রতিবন্ধকতার পাশাপাশি যেকোনো সময় বড় ধরণের দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে।

তেঁতুলিয়ার প্রবীণ শিক্ষক আবুল হোসেন জানান, সড়কের ওপর বালু ও পাথরের স্তুপের কারণে সড়কটি সরু হয়ে যাচ্ছে। স্কুলগামী ছাত্র-ছাত্রী সহ সাধারণ যানবাহনে চলাচলে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। সড়কের দু’ধারে জমে থাকা বালু ও পাথর সরানোর জন্য তিনি উপজেলা ও জেলা প্রশাসনের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।

 বাংলাবান্ধা থেকে পঞ্চগড় পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এ মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানের এসব বালু-পাথর সরিয়ে সড়কের স্বাভাবিক প্রশস্ততা ফিরিয়ে এনে নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন যাতায়াত নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত পদক্ষেপ চান স্থানীয়রা।

এবিষয়ে উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী, সওজ পঞ্চগড়  মো: মোতাহার আলী বলেন, সড়কের ওপর বালু পাথরের ব্যবসা বন্ধের জন্য একাধিকবার মাইকিং করা সহ জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়েছে।

কিন্তু তারপরও ব্যবসায়ীরা মানছে না। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সুশীল সমাজের এগিয়ে না এলে মহাসড়ক নিরাপদ রাখা সওজের পক্ষে কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে। তবু সড়ক বিভাগের স্বল্প জনবল নিয়ে মহাসড়ক নিরাপদ রাখার প্রচেষ্টা অব্যাহত আছে বলে জানান।

পোস্ট লিংক : https://karatoa.com.bd/article/183609