বগুড়ার শেরপুরের মির্জাপুর-রাণীরহাট সড়কে লাখো মানুষের দুর্ভোগ
শেরপুর (বগুড়া) প্রতিনিধি : বগুড়ার শেরপুর উপজেলার মির্জাপুর ইউনিয়নের মির্জাপুর-রাণীরহাট ও ভাবনীপুর সড়কের ১শ মিটার রাস্তায় বড় ধরনের খানা খন্দের সৃষ্টি হওয়ায় লাখো মানুষের দুর্ভোগ চরম আকার ধারণ করেছে। প্রতিদিনই ওই খানা খন্দে পড়ে ট্রাক, মিনি ট্রাক ও অন্যান্য যানবাহন আটকে গিয়ে অথবা বিকল হয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা যানজটে আটকে থাকতে হয়। এরই ধারাবাহিকতায় গত বুধবার দুটি ট্রাক আটকে গিয়ে যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকায় দুর্ভোগে পড়েন ওই সড়কে যাতায়াতকারী হাজার হাজার সাধারণ মানুষ।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, ঢাকা-বগুড়া মহাসড়কের মুখ হতে মাত্র ৩শ মিটার পশ্চিমে মাত্র ১শ মিটার সড়কে দীর্ঘদিন ধরে বড় ধরনের খানা খন্দের সৃষ্টি হলেও সংস্কার না করায় জনদুর্ভোগ চরম আকার ধারন করেছে। বর্তমানে রাস্তাটি চলাচলের জন্য একেবারেই অনুপযোগী। সকালে পণ্যবাহী দুটি ট্রাক খানাখন্দে পড়ে আটকে গেলে রাস্তার উভয় পাশে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
দেখতে দেখতে প্রায় ১ কিলোমিটার জুড়ে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। এতে আটকে পড়ে অ্যাম্বুলেন্স, সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও পথচারীসহ অসংখ্য যানবাহন। মির্জাপুর ইউনিয়নের এক স্থানীয় ব্যবসায়ী বলেন, রাস্তাটির অবস্থা বেশ কিছুদিন ধরেই ভয়াবহ। ঝুঁকি নিয়ে যানবাহন চলত। প্রতিদিনই কোন না কোন যানবাহন বিকল হেয় রাস্তা বন্ধ হয়ে যায়, বুধবার দুটি ট্রাক খাদে আটকে পুরো রাস্তা বন্ধ হয়ে গেছে। জরুরি প্রয়োজনে মানুষ কোথাও যেতে পারছে না।
দুর্ভোগে পড়া চালক ও যাত্রীরা জানান, নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কটি এখন মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে। সামান্য বৃষ্টি হলেই গর্তগুলোতে পানি জমে দুর্ঘটনা আরও বাড়ে। প্রশাসনকে একাধিকবার জানানো হলেও সড়ক সংস্কারে কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।
উপজেলা প্রকৌশলী আব্দুল মজিদ বলেন, চাতালসহ সকল পানি রাস্তার উপর ফেলার কারণে রাস্তা দ্রুত নষ্ট হয়েছে। তবে ১ সপ্তাহের মধ্যে সংস্কারের কাজ শুরু হবে। এ বিষয়ে শেরপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাইদুজ্জামান হিমু বলেন, আটকে থাকা ট্রাক দুটি সরিয়ে সড়কটি স্বাভাবিক করার চেষ্টা চলছে। পাশাপাশি সড়কটির জরুরি সংস্কারের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
পোস্ট লিংক : https://karatoa.com.bd/article/183123