রংপুরের ৪ খুনের রহস্য উৎঘাটনে দ্বারপ্রান্তে পুলিশ : অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার
রংপুর জেলা প্রতিনিধি : রংপুরে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকসহ একই পরিবারের আলোচিত ৪ খুনের ঘটনাটি একটি লোমহর্ষক ঘটনা। এই হত্যাকাণ্ডটির রহস্য উদঘাটনে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কাজ করছে। একই সাথে হত্যাকাণ্ডটির রহস্য উদঘাটনে দ্বারপ্রান্তে পুলিশ বলে মন্তব্য করেছেন রংপুর মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার তোফায়েল আহমেদ। ৪ খুনের মামলাটি তদন্তাধীন। তাই এই বিষয় বিস্তারিত আলোচনার এখন সময় না। তবে আপনাদেরকে আপডেট দিতে চাই, গ্রেফতার দুইজনকে জিজ্ঞাবাসাদের জন্য আদালতে আবেদন করা হয়েছিলো।
সেই আবেদনের প্রেক্ষিতে আজকে তাদের জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। এটি অব্যাহত থাকবে। মামলার রহস্য উদঘাটনে আমাদের সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব বজায় রেখে কাজ করছি। আশা করছি সেই পেশাদারিত্বের মাধ্যমে এই মামলার নিষ্পত্তি হবে। মঙ্গলবার বিকেলে গণপতি চক্রবর্তীসহ একই পরিবারের ৪ জন হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার মুগ্ধ ও সিদ্ধার্থকে জেলগেটে প্রথম দিনের জিজ্ঞাসাবাদ পরবর্তি প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এসব মন্তব্য করেন।
এদিকে গতকাল বেলা ১১ টা ৪৫ মিনিটে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা জিন্নাত আলীর নেতৃত্বে তিনসদস্যের একটি টীম কেন্দ্রীয় কারাগারে প্রবেশ করেন। তিনঘণ্টা ধরে এ জিজ্ঞাসাবাদ চলে। তবে জিজ্ঞাসাবাদে নতুন কোন তথ্য সামনে এসেছে কিনা এবং তারা এ বিষয়ে মুখ খুলেছে কিনা তা জানা যায়নি। এর আগে ৩১ আগস্ট সোমবার আদালতে তিন দিনের রিমান্ড আবেদন করেছিলো মামলার তদন্তকর্মকর্তা।
পরে মেট্রোপলিটন চীফ ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতের বিচারক রফিকুল ইসলাম তিন দিনের মধ্যে যে কোন দুইদিন তিন ঘন্টা করে জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য অনুমতি প্রদান করেন। মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের উপ কমিশনার সনাতন চক্রবর্তি জানান, একই পরিবারের ৪ জনকে হত্যা ঘটনায় নতুন কিছু তথ্য আসায় সেগুলো ক্রোস চেক করার জন্য গ্রেফতার সিদ্ধার্থ-মুগ্ধ দাসকে রিমান্ডের প্রয়োজন থেকে আদালতে আবেদন করা হয়েছিলো।
যে কোন দুই দিন তিন ঘন্টা করে জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি প্রদান করেন আদালত। উল্লেখ্য, গত ২২ আগস্ট রংপুর নগরীর মাছুয়াপাড়া এলাকায় নিজ বাড়ি থেকে রংপুর জিলা স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তার স্ত্রী ও দুই সন্তানের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় একই এলাকার ও প্রতিবেশী সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাসকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তারা আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।
পোস্ট লিংক : https://karatoa.com.bd/article/182147