বগুড়ার আদমদীঘিতে চুরি করতে গিয়ে ধরা পড়ে নামাজ আদায়ের পর ছাড়া পেল চোর 

বগুড়ার আদমদীঘিতে চুরি করতে গিয়ে ধরা পড়ে নামাজ আদায়ের পর ছাড়া পেল চোর 

আদমদীঘি (বগুড়া) প্রতিনিধি : বগুড়ার আদমদীঘিতে ফার্মেসী দোকান থেকে ওষুধ চুরির সময় আলামিন হোসেন (৩০) নামের এক যুবককে আটক করার পর শাস্তি হিসেবে ১শ’ রাকাত নফল নামাজ আদায়ের পর  ছেড়ে দিলেন ফার্মেসী মালিক জহুরুল ইসলাম। গত বুধবার দুপুরে আদমদীঘির পশ্চিম সিংড়া পূর্ব ঢাকারোড এলাকায় তাজ ফার্মেসী এন্ড মেডিসিন সপ থেকে তাকে আটক করা হয়। অভিযুক্ত আলামিন আদমদীঘি উপজেলার ছাতিয়ানগ্রামের আশরাফুল ইসলামের ছেলে। বিষয়টি এলাকায় বেশ তোলপাড়ের সৃষ্টি হয়েছে।

তাজ ফার্মেসী এন্ড মেডিসিন সপের সত্বাধীকারি জহুরুল ইসলাম জানান, গত বুধবার বেলা ১২ টায়  তিনি দোকান খুলে রেখে বাথরুমে যান। এই সুযোগে আলামিন রামের ওই যুবক তার ওষুধের দোকানের গেটে চেয়ারের ওপর দাঁড়িয়ে বিভিন্ন ধরনের ওষুধ চুরি করছিল। এসময় সে চেয়ার ভেঙে নীচে পড়ে যায়। বিষয়টি পাশের দোকানদার মাসুদ দেখতে পেয়ে ওই যুবককে হাতে নাতে আটক করে।  

এরপর আশেপাশের ব্যবসায়ী ও জনতা সেখানে পৌঁছে আটক আলামিনকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে আলামিন চুরির বিষয়টি স্বীকার করে। এরপর স্থানীয়রা তাকে শস্তিস্বরুপ অজু করিয়ে ঘটনাস্থলে ১শ’ রাকাত নফল নামাজ আদায়ের সিদ্ধান্ত দেন।  সে নামাজ আদায় করে ভাল পথে চলার অঙ্গীকার করলে তাকে ছেড়ে দেয়া হয়।  

ব্যবসায়ী জিল্লুর রহমান মামুন জানান, যদি অভিযুক্তকে শস্তিস্বরুপ দীর্ঘ সময় নামাজ না পড়ানো হতো, তাহলে স্থানীয়রা তাকে মারধর করতেন। এজন্য তাকে ১০০ রাকাত নফল নামাজ পড়ানো হয়। পাশাপাশি নামাজ পড়ে যেন অভিযুক্ত আলামিন তার এই অপরাধের পর অনুতপ্ত হয় এবং পরবর্তীতে এ রকম অপরাধমূলক কর্মকান্ড থেকে বিরত থাকে। 

 

পোস্ট লিংক : https://karatoa.com.bd/article/181501