বগুড়ায় সাবেক ইউপি সদস্য সাইফুল হত্যাকান্ডে জড়িতরা অধরা
স্টাফ রিপোর্টার : বগুড়া সদরের নুনগোলা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সদস্য সাইফুল ইসলাম হত্যাকান্ডে জড়িতরা এখনও ধরা ছোঁয়ার বাইরে রয়েছে। দুদিন পেরিয়ে গেলেও পুলিশ কোন আসামিকে গ্রেফতার করতে পারেনি।
এ হত্যার অভিযোগে তিনজনের নাম উল্লেখ করে সদর থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলাটি করেছেন নিহত সাইফুলের বড় বোন মাবিয়া বেওয়া। গত রোববার রাতে সদরের আশোকোলা পূর্বপাড়ায় এলাকায় এ হত্যার ঘটনা ঘটে।
মামলার বাদি মাবিয়া বলেন, পুর্ব শত্রুতার জের ধরে রাকিব, রমজান, নিঝুম ও তাদের সহযোগীরা মিলে তার ভাইকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে পালিয়েছে। থানায় হত্যা মামলা দায়ের করা হলেও আসামিরা এখনও অধরা।
এব্যাপারে সদর থানার ওসি মো. ইব্রাহীম আলী বলেন, পুলিশ হত্যাকান্ডে জড়িতদের গ্রেফতার করতে অভিযানে নেমেছে। তবে গতকাল পর্যন্ত কোন আসামিকে গ্রেফতার করা যায়নি। তিনি আশাবাদি অচিরেই আসামিরা ধরা পড়বে। সে লক্ষ্যেই অভিযান চলছে বলে তিনি বলেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সদর থানার এসআই সুমন হোসেন বলেন, একাধিক কারনকে সামনে রেখে পুলিশের তদন্ত চলমান রয়েছে।
পুলিশের এক কর্মকর্তা বলেন, নিহত সাইফুল ইসলাম ইউপি সদস্য ছিলেন। তিনি বিভিন্ন বিষয়ে নিয়মিত শালিস বৈঠক করতেন। এরমধ্যে আসামি রমজান তার তালাকপ্রাপ্ত স্ত্রীকে নিয়ে তার সাথে শালিসে বসেন। শালিসে বিচার নিয়ে ক্ষুব্ধ ছিলেন রমজান। পরে তা চরম বিরোধে রুপ নেয়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সাইফুল খুন হয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
উল্লেখ্য,সদরের বাঘোপাড়া বন্দরে চা পান করে সাইফুর ইসলাম তার ফার্মের কর্মচারী ও সম্পর্কে নাতিকে সাথে হেঁটে আশোকোলা গ্রামে বাড়ি ফিরছিলেন। কিন্তু তার বাড়ি থেকে ৩-৪শ’ গজ দূরে পথিমধ্যে ফাঁকা স্থানে রাত সাড়ে ১০টার দিকে সাবেক ইউপি মেম্বার সাইফুল ইসলাম ৩-৪ জন মুখ চেনা দুর্বৃত্তের কবলে পড়েন।
এসময় ওই দুর্বৃত্তরা তার পথরোধ করে তার সাথে বাক বিতন্ডা শুরু করে। এক পর্যায়ে দুর্বৃত্তরা তাকে রাস্তা থেকে টেনে হেঁচড়ে ও লাথি মেরে পাশে ধান ক্ষেতে নিয়ে গিয়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাথারিভাবে কুপিয়ে চলে যায়। পরে তাকে হাসপাতালে নেয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
পোস্ট লিংক : https://karatoa.com.bd/article/181333