সৌরবিদ্যুতের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হলে শিল্প খাতের সংকট কাটবে : বাণিজ্যমন্ত্রী
বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি ও জ্বালানি সংকট বিবেচনায় অধিক জ্বালানিনির্ভর শিল্পের বদলে স্বল্প বিনিয়োগ ও পরিবেশবান্ধব ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্য, শিল্প, পাট ও বস্ত্রমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।
তিনি বলেন, জাতীয় অর্থনীতিতে ক্ষুদ্র, কুটির, মাইক্রো ও মাঝারি শিল্প (সিএমএসএমই) খাতের অবদান বর্তমানে প্রায় ৩৪ শতাংশ। এই অবদান ৫০ শতাংশে উন্নীত করা সরকারের লক্ষ্য।
শনিবার (২২ আগস্ট) সিলেটে বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশনের (বিসিক) উদ্যোগে নতুন একটি ডিসপ্লে ও সেলস সেন্টার উদ্বোধন করেন খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। পরে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি।
শিল্প খাতে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকটের বিষয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, দেশে দৈনিক সাড়ে তিন থেকে চার ঘণ্টা সৌরশক্তির সর্বোত্তম ব্যবহার করা সম্ভব। স্টোরেজ সুবিধা থাকলে সন্ধ্যার পিক আওয়ারেও এই বিদ্যুৎ কাজে লাগানো যাবে।
তিনি বলেন, ‘সরকার গৃহীত ১০ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা বাস্তবায়িত হলে শিল্প খাতের লোডশেডিং সংকট অনেকাংশে কেটে যাবে।’ পাশাপাশি শিল্প প্লটে গ্যাসের পাশাপাশি বিকল্প জ্বালানি হিসেবে ধানের তুষ (রাইস হাস্ক) ও কয়লা ব্যবহারের একটি রূপরেখা তৈরি করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।