কক্সবাজারের হোটেলকক্ষে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলছিল পুলিশ সদস্যের মরদেহ
কক্সবাজারের একটি আবাসিক হোটেলের কক্ষ থেকে আতাউল কবির (৪৪) নামে এক পুলিশ সদস্যের মরদেহ উদ্ধার করেছে সদর থানা পুলিশ। শুক্রবার (১৪ আগস্ট) বিকেলে বাস টার্মিনাল এলাকার দি গ্র্যান্ড ঢাকা হোটেলের ৪০১ নম্বর কক্ষ থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
আতাউল কবির পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলার রাজবাড়ি এলাকার আব্দুল খালেক তালুকদারের ছেলে। তিনি টেকনাফের হোয়াইক্যং হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়িতে কর্মরত ছিলেন।
হোটেল ব্যবস্থাপক জিন্টু বড়ুয়া জানান, বৃহস্পতিবার রাত ৯টার দিকে আতাউল কবির হোটেলের ৪০১ নম্বর কক্ষে ওঠেন। শুক্রবার সকাল ১১টার দিকে চেকআউটের সময় তাকে ডাকাডাকি করেও কোনো সাড়া না পেয়ে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। পরে পুলিশ এসে দরজা ভেঙে কক্ষে প্রবেশ করে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে গলায় রশি দেওয়া অবস্থায় তার মরদেহ দেখতে পায়। এনআইডি যাচাই করে তার পরিচয় ও কর্মস্থল নিশ্চিত করা হয়। পরে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
হোয়াইক্যং হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নুরুল আবছার জানান, আতাউল কবির প্রায় এক বছর ধরে সেখানে কর্মরত ছিলেন। দীর্ঘদিন ধরে তিনি পারিবারিক সমস্যায় ভুগছিলেন। বিষয়টি জানার পর তাকে বোঝানোরও চেষ্টা করা হয়েছিল। কয়েকদিন আগে তিনি ছুটিতে গিয়েছিলেন।
তবে মরদেহ উদ্ধারের ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। ছবিতে তাকে খাটের ওপর দাঁড়ানো অবস্থায় দেখা যাওয়ায় ঘটনাটি আত্মহত্যা নাকি অন্য কিছু, তা খতিয়ে দেখার দাবি উঠেছে।
কক্সবাজার সদর থানার ওসি শেখ মোহাম্মদ আলী বলেন, আতাউল কবিরের পরিবারের সদস্যদের খবর দেওয়া হয়েছে। তারা কক্সবাজারের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন। এটি হত্যা নাকি আত্মহত্যা, তা নিশ্চিত হতে পুলিশ তদন্ত করছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর বিষয়টি স্পষ্ট হবে।
পোস্ট লিংক : https://karatoa.com.bd/article/179964