যশোর শিক্ষা বোর্ডের ১১ প্রতিষ্ঠানের সবাই ফেল

যশোর শিক্ষা বোর্ডের ১১ প্রতিষ্ঠানের সবাই ফেল

যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এসএসসি পরীক্ষায় এবার ১১ প্রতিষ্ঠান থেকে কোনো শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হতে পারেনি। ৩৬টি প্রতিষ্ঠানের শতভাগ শিক্ষার্থীরা পাস করেছে। যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক এস. এম. হোসেন আলী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। 

যশোর বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের এসএসসি পরীক্ষায় সাতক্ষীরা নাইশা মাধ্যমিক স্কুল থেকে ৭ জন অংশ নিয়েছিলেন, তারা সবাই ফেল করেছেন। এছাড়া আশাশুনির গোদারা মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে চারজন, শ্যামনগরের সাহেবখালি সিদ্দিক গাজী মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে চারজন, দেবহাটার বাবুরাবাদ ধাপুখালি মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে চারজন অংশ নিয়ে শতভাগ অকৃতকার্য হয়েছে।

খুলনা ডুমুৃরিয়ার কাটেঙ্গা মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে চারজন, খালিশপুরের আসমা সরোয়ার ইসলামিক হাই স্কুল থেকে চারজন ও বাগেরহাটের শরণখোলার ডি. এন. একতা গার্লস হাই স্কুল থেকে দুইজন নিয়ে কৃতকার্য হতে পারেনি। 

এছাড়া যশোরের মণিরামপুর চাঁনদুয়া সমাসকাটি গার্লস হাই স্কুল থেকে তিনজন, হেলাঞ্চি কৃষ্ণবাটি মাধ্যমিক গার্লস স্কুল থেকে একজন, শার্শার সারাতলা জুনিয়র গার্লস হাই স্কুল থেকে দুজন ও মুক্তিযোদ্ধা জি. কে. জি. এস মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় থেকে একজন পরীক্ষায় অংশ নিলেও কেউ পাস করেনি।

শূন্য পাসের বিষয়ে যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক এস. এম. হোসেন আলী বলেন, বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে শিক্ষা বোর্ড। শূন্য পাস করা ১১টি প্রতিষ্ঠানকে আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হবে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর একাডেমিক দুর্বলতা কিংবা শিক্ষকদের গাফিলতির প্রমাণ পাওয়া গেলে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের স্বীকৃতি বাতিলের বিষয়টিও বিবেচনা করা হবে।

পোস্ট লিংক : https://karatoa.com.bd/article/179453