বগুড়ার শেরপুরে রাস্তা পাকাকরণের দাবিতে মানববন্ধন, বেহাল দশায় সাত গ্রামের মানুষের দুর্ভোগ

বগুড়ার শেরপুরে রাস্তা পাকাকরণের দাবিতে মানববন্ধন, বেহাল দশায় সাত গ্রামের মানুষের দুর্ভোগ

শেরপুর (বগুড়া) প্রতিনিধি : বগুড়ার শেরপুরের রাজবাড়ী-খোট্টাপাড়া রাস্তা পাকাকরণের দাবিতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান করেছেন এলাকাবাসী। গতকাল রোববার দুপুরে উপজেলা পরিষদের সামনে রাজবাড়ী, হাতিগাড়া, বাঘমারা, দড়িমুকুন্দ ও খোট্টাপাড়া এলাকার বাসিন্দাদের উদ্যোগে আয়োজিত এই মানববন্ধনে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।

মানববন্ধনে বক্তারা, অবিলম্বে হাতিগাড়া শ্মশান থেকে কদিমকুন্দ সড়ক, ঘোলাগাড়ী বকুলের বাড়ি থেকে শিমুলতলা, সাউদিয়া পার্কের শেষ রাস্তা থেকে হাতিগাড়া হয়ে রাজবাড়ী শিমুলতলা, চন্ডিপুকুর কানাইকান্দর স্কুল থেকে বাঘমারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং দড়িপাড়া থেকে খোট্টাপাড়া পর্যন্ত কাঁচা রাস্তা পাকাকরণের দাবি জানান।

তারা আরো বলেন, এসব সড়ক দিয়ে প্রতিদিন কয়েকটি গ্রামের মানুষ চলাচল করলেও বর্ষা মৌসুমে রাস্তাগুলো কাদায় চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। কৃষকরা সময়মতো ধান, সবজি ও অন্যান্য কৃষিপণ্য বাজারজাত করতে পারেন না।

অসুস্থ রোগীদের হাসপাতালে নেয়ার ক্ষেত্রে মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি হয়। শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে যেতে দুর্ভোগ পোহাতে হয় এবং জরুরি প্রয়োজনে যানবাহন প্রবেশ করতে না পারায় সাধারণ মানুষকে চরম ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে।

মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন-ব্যবসায়ী মিজানুর রহমান মিজান, আব্দুল হামিদ বাবলু, ইকবাল হোসেন, ইমান হোসেন, আলাউদ্দিন, আজিজ, সুফিয়া ও ওজেদা বেগম। তারা অভিযোগ করেন, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরে একাধিকবার বিষয়টি জানানো হলেও কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেয়া হয়নি।

তাই বাধ্য হয়ে তারা রাজপথে নেমেছেন। দ্রুত রাস্তা পাকাকরণের কাজ শুরু না হলে বৃহত্তর আন্দোলনের অংশ হিসেবে জেলা পরিষদ ঘেরাও কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন।

মানববন্ধন শেষে এলাকাবাসীর একটি প্রতিনিধিদল উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাইদুজ্জামান হিমুর কাছে স্মারকলিপি প্রদান করেন। এ বিষয়ে শাহ-বন্দগী ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ জানান, ইতিমধ্যে রাজবাড়ী, হাতিগাড়া, বাঘমারা, দড়িমুকুন্দ ও খোট্টাপাড়া রাস্তাটি উপজেলা নির্বাহী প্রকৌশলীর মাধ্যমে পাকাকরণের জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে, বরাদ্দ পেলে শুস্ক মৌসুমে কাজ শুরু হবে।

পোস্ট লিংক : https://karatoa.com.bd/article/178556