নওগাঁর নিয়ামতপুরে প্রতিবন্ধী তরুণীর গর্ভাবস্থার সন্তান নষ্টের অভিযোগ

নওগাঁর নিয়ামতপুরে প্রতিবন্ধী তরুণীর গর্ভাবস্থার সন্তান নষ্টের অভিযোগ

নিয়ামতপুর (নওগাঁ) প্রতিনিধি: নওগাঁর নিয়ামতপুরে বাক ও শ্রবণপ্রতিবন্ধী এক নারীর গর্ভের সন্তান  জোরপূর্বক নষ্ট করার অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনাটি ঘটেছে নিয়ামতপুর উপজেলার ভাবিচা ইউনিয়নের সিদাইন গ্রামে।

আজ শনিবার (১ আগস্ট) সকালে ভুক্তভোগীর বাবা মিরাজ সোনার বাদি হয়ে নিয়ামতপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। থানায় দায়ের করা লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত সাখাওয়াত হোসেন কৌশলে ডেকে নিয়ে ওই প্রতিবন্ধী তরুণীকে ধর্ষণ করেন। পরবর্তীতে বিষয়টি পরিবার জানতে পারলে স্থানীয় শালিসের মাধ্যমে গত ১৬ জুলাই সাখাওয়াত হোসেনের সাথেই লতা খাতুনের বিয়ে দেওয়া হয়।

অভিযোগে আরও বলা হয়, বিয়ের পর লতা খাতুন শ্বশুরবাড়িতে গেলে গত ৩১ জুলাই রাতে তার শ্বশুর মাবুদ আলী, শাশুড়ি সাইফা বেগম, কাদের আলী ও সোরাফ হোসেন জোরপূর্বক তার পেটের সন্তান নষ্ট করার জন্য ওষুধ খাওয়ান।

এরপর রাতেই সাখাওয়াত লতাকে তার বাবার বাড়িতে ফেলে রেখে চলে যান। অসুস্থ হয়ে পড়লে বিষয়টি বুঝতে পেরে পরিবারের লোকজন তাকে উদ্ধার করে নিয়ামতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করান। চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার গর্ভপাত ঘটে।

ভুক্তভোগী লতা খাতুনের বাবা বলেন, প্রতিবন্ধী মেয়েটাকে ধর্ষণ করা হলো, আবার পেটের বাচ্চাটাও নষ্ট করে দিল। আমার বাক ও শ্রবণপ্রতিবন্ধী মেয়ের উপর সংঘটিত এই নির্মম নির্যাতনের সুষ্ঠু বিচার চাই। এ বিষয়ে নিয়ামতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুবুর রহমান জানান, আমরা লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

পোস্ট লিংক : https://karatoa.com.bd/article/178449