কুড়িগ্রামের চিলমারীতে এক মাসে ১৩ চুরি-ছিনতাই

কুড়িগ্রামের চিলমারীতে এক মাসে ১৩ চুরি-ছিনতাই

চিলমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি: কুড়িগ্রামের চিলমারীতে একের পর এক চুরি ও ছিনতাইয়ের ঘটনায় জনমনে বাড়ছে উদ্বেগ। গত এক মাসে মোটরসাইকেল, অটোরিকশা, বসতবাড়ি ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানকে লক্ষ্য করে অন্তত ১৩টি চুরি-ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। ধারাবাহিক এসব ঘটনায় নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন সাধারণ মানুষ।

তথ্যানুসন্ধানে জানা যায়, গত ২৪ জুন উপজেলা পরিষদ চত্বর থেকে ক্ষুদ্র কৃষক উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের এক কর্মচারীর মোটরসাইকেল চুরি হয়। ২৮ জুন চেতনানাশক খাইয়ে একটি অটোরিকশা ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে। পরে, ৩ জুলাই থানাহাট বাজারের কাঁচাবাজার এলাকা থেকে একটি মোটরসাইকেল, ৫ জুলাই একটি মসজিদের সামনে থেকে মোটরসাইকেল চুরি, ৬ জুলাই জোড়গাছ নতুন বাজারে একটি দোকানে চুরি সংঘটিত হয়।

এছাড়াও, ৭ জুলাই কলেজ মোড়ের দক্ষিণে চিড়ার মেইল এলাকায় চেতনানাশক খাইয়ে একটি অটোরিকশা ছিনতাই, ৯ জুলাই অষ্টমীর চর এলাকায় এক বাড়িতে চুরি, ১০ জুলাই বালাবাড়ী হাটের মালেক মোড়ে একটি দোকানে চুরি, ১১ জুলাই এক মুক্তিযোদ্ধাকে শয়তানের নিঃশ্বাস শুকিয়ে স্বর্ণের চেইন ছিনতাই, ১২ জুলাই কলেজ মোড়ে দিনের বেলায় একটি বিকাশ এজেন্টের দোকানে চুরি, ২৪ ও ২৫ জুলাই রমনা এলাকায় পরপর দু দিনে দুটি বাড়িতে চুরির ঘটনা ঘটে। সর্বশেষ ২৬ জুলাই কলেজ মোড় এলাকা থেকে একটি অটোরিকশা চুরি হয়।

স্থানীয়দের দাবি, উপজেলা পরিষদ চত্বর, কলেজ মোড়, থানাহাট বাজার, রমনা ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ স্থানে আধুনিক সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন, দিন-রাত নিয়মিত পুলিশ টহল বৃদ্ধি, আন্তঃজেলা চোরচক্র শনাক্তে বিশেষ অভিযান এবং দ্রুত অপরাধীদের আইনের আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া জরুরি।

চিলমারী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত অফিসার ইনচার্জ নয়ন কুমার বলেন, সংঘবদ্ধ চোরচক্র শনাক্তে অনুসন্ধান চলছে। টহল ও বিশেষ অভিযান জোরদার করা হয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহমুদুল হাসান বলেন, আইনশৃঙ্খলা কমিটির বৈঠকে বিষয়টি উঠেছে। সিসিটিভি স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে। সেই সাথে নিরাপত্তা বৃদ্ধিতে পুলিশি টহল জোড়দার করা হয়েছে।

পোস্ট লিংক : https://karatoa.com.bd/article/178000