পে-স্কেল অনিশ্চিত রেখে প্রাথমিকের নতুন নীতিমালার ঘোষণা

পে-স্কেল অনিশ্চিত রেখে প্রাথমিকের নতুন নীতিমালার ঘোষণা

দেশের বাস্তবতা এবং উন্নত বিশ্বের শিক্ষা ব্যবস্থার অভিজ্ঞতা বিবেচনায় নিয়ে প্রাথমিক শিক্ষা সংস্কারে কাজ করছে সরকার বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। তিনি বলেছেন, আগামী ১৭ আগস্টের মধ্যে প্রাথমিক শিক্ষকদের জন্য নতুন নীতিমালা চূড়ান্ত করা হবে। এরপর পে-স্কেলসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা শুরু হবে।

আজ রোববার (২৬ জুলাই) সিলেট পিটিআইয়ের মাল্টিপারপাস অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এক প্রশিক্ষণ কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী জানান, সিলেট বিভাগে শিক্ষক সংকট দূর করতে সরকার ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছে। পাশাপাশি মিড-ডে মিল কর্মসূচির পাইলট প্রকল্প সফল হলে তা ধাপে ধাপে সারা দেশে চালু করা হবে।

তিনি আরও বলেন, দেশের বেসরকারি স্কুলগুলোকে একটি সমন্বিত নীতিমালার আওতায় আনা হবে। একই সঙ্গে দেশের সব চা-বাগান এলাকার প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দ্রুত শিক্ষা কার্যক্রম চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

ববি হাজ্জাজ বলেন, সরকারের লক্ষ্য দেশের প্রতিটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে শতভাগ কার্যকর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পরিণত করা। কোনো বিদ্যালয়ে শিক্ষক সংকট, অবকাঠামোগত দুর্বলতা, প্রশিক্ষণের ঘাটতি বা অন্য কোনো সমস্যা থাকলে তা গোপন না করে বাস্তব তথ্য তুলে ধরার আহ্বান জানান তিনি। তার ভাষায়, সঠিক তথ্যের ভিত্তিতেই দ্রুত সমাধান নিশ্চিত করা সম্ভব।

তিনি বলেন, শিক্ষাখাতে বিনিয়োগের মূল কেন্দ্রবিন্দু হবে শিক্ষার্থীদের শেখার মান। কতগুলো ভবন নির্মাণ হলো বা কতটি প্রকল্প বাস্তবায়িত হলো, সেটি নয়; বরং শিশুরা বাস্তবে কতটুকু শিখছে, সেটিই হবে সাফল্যের প্রধান সূচক।

শিক্ষকদের বেতন কাঠামো প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, নীতিমালা চূড়ান্ত হওয়ার আগে এ বিষয়ে মন্তব্য করা সমীচীন নয়। তবে শিক্ষকদের পেশাগত দক্ষতা ও জীবনমান উন্নয়নে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে। এছাড়া মিড-ডে মিল প্রকল্প সফল হলে ২০২৭ সালের শুরু থেকে তা সারা দেশে চালুর পরিকল্পনা রয়েছে।

পোস্ট লিংক : https://karatoa.com.bd/article/177740