মোজাফফরকে গ্রেফতার দেখানোর নির্দেশ, কারাগারে প্রেরণ

মোজাফফরকে গ্রেফতার দেখানোর নির্দেশ, কারাগারে প্রেরণ

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্ত আসামি সাবেক সেনা কর্মকর্তা (অব.) মোজাফফর হোসেনকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২। পাশাপাশি তাকে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দিয়েছেন আদালত।

আজ বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) শুনানি শেষে ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এই নির্দেশ দিয়েছেন। প্যানেলের অন্য সদস্যরা হলেন-বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

এর আগে এদিন সকাল ৯টা ২৫ মিনিটের দিকে মোজাফফর হোসেনকে প্রিজনভ্যানে করে কারাগার থেকে ট্রাইব্যুনালে আনা হয়। দুপুর পৌনে ১টার দিকে তাকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের এজলাস কক্ষে নেওয়া হয়। এরপর শুনানি নিয়ে এই আদেশ দেন আদালত। এরও আগে মঙ্গলবার (২১ জুলাই) মেজর মোজাফফর হোসেনকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হাজির করার নির্দেশ দেন ট্রাইব্যুনাল-২। তারই ধারাবাহিকতায় আজ তাকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়।

ওইদিন ট্রাইব্যুনালে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম। এসময় প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম, ফারুক আহাম্মদ, সহিদুল ইসলাম সরদার, শাইখ মাহদী, মঈনুল করিমসহ অন্য প্রসিকিউটররা উপস্থিত ছিলেন। শুনানিতে মোজাফফরকে ট্রাইব্যুনালে হাজিরের আবেদন করেন চিফ প্রসিকিউটর। পরে ট্রাইব্যুনাল তা মঞ্জুর করেন।

শুনানিতে চিফ প্রসিকিউটর আদালতকে বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান হত্যা মামলায় গ্রেফতার মোজাফফর হোসেনের মানবতাবিরোধী অপরাধে সম্পৃক্ত থাকার তথ্য রয়েছে। আমরা তার বিরুদ্ধে প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট আদালতে হাজির করার নির্দেশনা চাচ্ছি। শুনানি শেষে তাকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করার নির্দেশ দেন আদালত।

জিয়াউর রহমান হত্যা মামলার অন্যতম আসামি মেজর (অব.) মোজাফফর হোসেন। গত ৪৫ বছর ধরে পলাতক ছিলেন তিনি। গত ১৫ জুলাই রাতে ঢাকার বনানীর একটি বাসা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। পরদিন তাকে ঢাকা সেনানিবাসের মিলিটারি পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

পোস্ট লিংক : https://karatoa.com.bd/article/177320