বেশি বেশি গাছ লাগিয়ে সবুজ বগুড়া গড়ে তুলুন : বৃক্ষমেলায় সিটি প্রশাসক স্বাধীন

বেশি বেশি গাছ লাগিয়ে সবুজ বগুড়া গড়ে তুলুন : বৃক্ষমেলায় সিটি প্রশাসক স্বাধীন

শহর প্রতিনিধি (বগুড়া) : বগুড়া সিটি কর্পোরেশন প্রশাসক এম আর ইসলাম স্বাধীন বলেছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে বৈশ্বিক উষ্ণতা আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে। তাপদাহ, অনাবৃষ্টি এবং অসময়ে বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগের মুখোমুখি হচ্ছি আমরা।

এই বিপর্যয় থেকে আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম এবং নগর রক্ষার একমাত্র সহজ উপায় বেশি করে গাছ লাগানো। আমরা শুধু একটি পরিকল্পিত আধুনিক শহরই গড়তে চাই না, আমরা গড়তে চাই একটি সবুজ বগুড়া।তাই সকলেইবেশি বেশি গাছ লাগান। আর এই লক্ষ্যেই আমাদের এই বৃক্ষমেলার আয়োজন। আজ মঙ্গলবার (২১ জুলাই) বগুড়ায় বৃক্ষমেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

এ সময় তিনি আরও বলেন, সমাজের আগামী দিনের আলো হলো শিক্ষার্থীরা। ফাস্টফুড ও চিপসের প্যাকেট, কোমল পানীয়র বোতল বা এ জাতীয় অপচনশীল দ্রব্য যত্রতত্র না ফেলে বগুড়া মহানগরকে পরিষ্কার রেখে নির্দিষ্ট স্থানে ফেলার আহবান জানান।

সামাজিক বন বিভাগ বগুড়ার আয়োজনে ও জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় সকালে শহরের পৌর এ্যাডওয়ার্ড পার্কের শহীদ টিটু মিলনায়তনে সাতদিনব্যাপী বৃক্ষমেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বগুড়া জেলা প্রশাসক তৌফিকুর রহমান।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন-বগুড়ার পুলিশ সুপার মির্জা সায়েম মাহমুদ, স্থানীয় সরকার বিভাগের উপসচিব রাজিয়া সুলতানা, সিভিল সার্জন ডা. খুরশিদ আলম, বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মতলুবুর রহমান, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক সোহেল মো. শামছুদ্দিন প্রমুখ। এছাড়া অনুষ্ঠানে বগুড়া জিলা স্কুল, বগুড়া সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, সেন্ট্রাল হাইস্কুল, ইয়াকুবিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ও শিক্ষক উপস্থিত ছিলেন।

মেলার আয়োজকরা জানান, শহরের এ্যাডওয়ার্ড পার্ক চত্বরে আয়োজিত এই মেলা চলবে ২৭ জুলাই পর্যন্ত। অতিরিক্ত আরও তিন দিন বর্ধিত মেলার আয়োজন থাকবে বেসরকারিভাবে। সরকারি বনবিভাগ, বিএডিসি, টিএমএসএসসহ বেসরকারি ও ব্যক্তিগত নার্সারি মিলিয়ে মেলায় স্টল রয়েছে ৪০টি। মেলা শেষে দু’টি ক্যাটাগরিেিত তিন বিভাগে পুরষ্কার প্রদান করা হবে।

এছাড়া মেলায় ছয়টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও কয়েকটি সংস্থা মিলিয়ে মোট ৫০০টির বেশি চারাগাছ বিতরণ করা হবে।
এছাড়াও উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জেলার দুই উপকারভোগীকে প্রায় ২৫ হাজার করে টাকা এবং ভূমি মালিক (জেলা প্রশাসক, সড়ক ও জনপথ বিভাগ, বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড এবং জেলা পরিষদ) এর নির্বাহী প্রকৌশলীদের প্রতিনিধিদের মোট ২১ লাখ ৮৫ হাজার ৫৭৭ টাকার চেক হস্তান্তর করা হয়।

পোস্ট লিংক : https://karatoa.com.bd/article/177109