নীলফামারীর ডিমলায় সড়কের বেহাল দশা ভোগান্তিতে শিক্ষার্থী ও রোগীরা
ডিমলা (নীলফামারী) প্রতিনিধি: নীলফামারীর ডিমলা উপজেলা শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত একমাত্র সরকারি মহিলা কলেজে যাতায়াতের প্রধান সড়কটি দীর্ঘদিন ধরে বেহাল অবস্থায় পড়ে থাকায় শিক্ষার্থী, রোগী ও সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে।
জানা যায়, থানা সংলগ্ন ডান পাশ দিয়ে আলম প্লাজা থেকে সরকারি মহিলা কলেজ হয়ে ডিমলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সংযোগ সড়ক পর্যন্ত প্রায় এক কিলোমিটার সড়কজুড়ে কাদা, খানাখন্দ ও চলাচল-অযোগ্য পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। সামান্য বৃষ্টিতেই সড়কটি কর্দমাক্ত হয়ে পড়ায় প্রতিদিন ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন শত শত শিক্ষার্থী ও হাজারো পথচারী। এছাড়া একটু বেশি বৃষ্টি হলেই পুরো সড়ক পানিতে তলিয়ে গিয়ে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়।
স্থানীয়দের অভিযোগ, সড়কটি উপজেলার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সংযোগ পথ হওয়া সত্ত্বেও দীর্ঘদিন এটি পাকা করা হয়নি। সড়কটির পাশে রয়েছে নূরানী ইসলামিয়া হাফিজিয়া মাদ্রাসা ও আবাসিক ভবন। এছাড়া ডিমলা থানায় যাতায়াতের ক্ষেত্রেও এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ বিকল্প সড়ক। বিশেষ করে গর্ভবতী নারী বা জরুরি রোগীকে হাসপাতালে নেওয়ার সময় কাদা ও ভাঙাচোরা রাস্তার কারণে প্রায়ই চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়।
স্থানীয় বাসিন্দা আবুল কাশেম ও মো, হাফিজুল ইসলাম পাতারু জানান, দীর্ঘদিন ধরে জনপ্রতিনিধিদের কাছে দাবি জানালেও দৃশ্যমান কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। ফলে গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কটি বছরের পর বছর অবহেলিত।
ডিমলা সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ মো, মোখলেছুর রহমান বলেন, কলেজের শিক্ষার্থীদের চলাচলের গুরুত্ব বিবেচনায় তৎকালীন সংসদ সদস্য আফতাব উদ্দিন সরকারের কাছে সড়কটি পাকাকরণের অনেকবার আবেদন ও যোগাযোগ করেও কোন লাভ হয়নি। এ বিষয়ে ডিমলা উপজেলা প্রকৌশলী মো. মফিজুর রহমান বলেন, সড়কটির কোনো আইডি না থাকায় এতদিন উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় এনে পাকা করা সম্ভব হয়নি।
ডিমলা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. ইমরানুজ্জামান বলেন, দায়িত্ব গ্রহণের পর বিষয়টির গুরুত্ব বিবেচনায় সড়কটির আইডির জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হয়। বরাদ্দ পাওয়া সাপেক্ষে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে দ্রুত সড়কটি পাকাকরণের কাজ শুরু করা হবে।
পোস্ট লিংক : https://karatoa.com.bd/article/176985